হোম > সারা দেশ > বাগেরহাট

কালো চিল ছোঁ মেরে ভোট ছিনিয়ে নিতে চাইলে ডানাসহ ছিঁড়ে ফেলবেন: জামায়াত আমির

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: আজকের পত্রিকা

ভোটারদের উদ্দেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আপনাদের সাবধান করে যাব—কেউ যদি আকাশ থেকে কালো চিলের রং ধারণ করে কারও ভোট ছো মেরে নিতে চায়, ওর ডানাসহ তুলে ফেলবেন।’

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার মোড়সংলগ্ন মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আগের ১৫ বছর আমার ভোট আমি দিব, তোমারটাও আমি দিব—এটা অচল। আমার ভোট আমি দিব, তোমার ভোট তুমি দেও, আমার ভোটে হাত বাড়ালে খবর আছে। নিজেদের ভোটের পাহারাদার হতে হবে, অন্যের ভোটেরও পাহারাদার হতে হবে। নাগরিকদের পূর্ণ অধিকার যার ভোট সে দিবে, তার অধিকার রক্ষায় কাজ করতে হবে।’

জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘শুধু রাজার ছেলে রাজা হবে, রাজনীতির এই সংস্কৃতি আমরা পাল্টে দিতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘যার যোগ্যতা আছে, সেই দেশ পরিচালনা করবে।’

জামায়াতের বাগেরহাট জেলা শাখার আমির মাওলানা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জামায়াত জোট মনোনীত বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাও. মশিউর রহমান খান, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাও. আব্দুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম, খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মুফতি আমিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, এনসিপির জেলা শাখার সিনিয়র সমন্বয়ক সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার সোহেল, জেলা সেক্রেটারি শেখ মুহাম্মদ ইউনুস প্রমুখ।

বাগেরহাটের উন্নয়ন ইস্যুতে জামায়াতের আমির বলেন, ‘বাগেরহাটের অনেক সমস্যা আছে, আবার অনেক সম্ভাবনাও রয়েছে। যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। ২০১৫ সালে বাগেরহাটের শরণখোলায় এসেছিলাম। সেখানে জমিনের আইল দিয়ে চলতে হয়েছে, ভালো একটা রাস্তা নেই। তিনবার পরেই গেলাম, আবার উঠে চলতে লাগলাম। কেন? বাগেরহাট কি দেশের বাইরে?’

বাগেরহাটবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি—সুযোগ পেলে যে এলাকা পিছিয়ে রয়েছে, তার উন্নয়ন করা হবে। আমরা কোনো এলাকা এমপি-মন্ত্রীর এলাকা তা দেখব না। আমরা যে এলাকার যা ন্যায্য পাওনা তা-ই দিব।’

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে পররাষ্ট্রনীতি কেমন হবে—সে বিষয়েও ব্যাখ্যা দিয়ে এই রাজনীতিবিদ বলেন, ‘বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশকে আমরা বন্ধু হিসেবে পেতে চাই, কিন্তু অতীতে বন্ধুর নামে কিছু প্রভুত্ব কায়েম হয়েছিল। আমাদের ঘাড়ে চেপে বসেছিল তারা, ৫৪ বছরের অনেক সম্ভাবনাকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছিল। আগামীতে এই জাতি আর কোনো আধিপত্যবাদ বরদাশত করবে না। আমরা সবাইকে বন্ধু হিসেবে পেতে চাই, কাউকেই প্রভু হিসেবে দেখতে চাই না।’

গণভোট ইস্যুতে শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণভোটে হ্যাঁ মানেই হচ্ছে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসুক, হ্যাঁ মানে আজাদি, ১২ তারিখের প্রথম ভোট হবে হ্যাঁ পক্ষে, হ্যাঁ জিতলে বাংলাদেশ জিতে যাবে। আমরা বাংলাদেশকে হেরে যেতে দিতে পারি না। ১২ তারিখে দুটি ভোট হবে—প্রথম ভোটটি হবে গণভোটের পক্ষে।...আর দ্বিতীয় ভোটটি হবে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে। ১১ দল যে প্রতীক নিয়ে যেখানে এসেছে, আমরা সবাই এক। আমাদের পরিচয়, আমরা ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।’

১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে জোটের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান জামায়াত আমির। সব শেষ বাগেরহাটের চারটি আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে এবং তাঁদের জন্য দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চেয়ে সমাবেশ শেষ করেন তিনি।

নির্বাচনী খরচ না পেয়ে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মহিলা দল নেত্রীর

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বলে বিদেশি নাগরিকদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে খুলনা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থীকে শোকজ

সাতকানিয়ায় বিএনপি প্রার্থীর ২ কর্মীর ওপর জামায়াতের হামলার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জে হত্যা মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন

চুরি করতে গিয়ে দরজার ফাঁকে আটকে যায় যুবকের গলা, পরদিন লাশ উদ্ধার

হাসিনার ফ্যাসিবাদ দেখেছি, ১৭ মাস অন্য দলের ফ্যাসিবাদ দেখছি: আসিফ মাহমুদ

গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে ও শহীদ ওসমান হাদি স্মরণে ফেনীতে কাওয়ালি সন্ধ্যা

যারা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে, তারা মুনাফিক: পার্থ