যশোর গণহত্যার অধিকাংশ শহীদ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না পাওয়ায় তাঁদের স্বজন, মুক্তিযোদ্ধা ও সুধীজনেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় যশোর গণহত্যা দিবসে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
শহরের টাউন হল ময়দানের রওশন আলী মঞ্চে এই স্মরণসভার আয়োজন করে গণহত্যা দিবস পালন কমিটি। সভায় বক্তারা শহীদদের কবর সংরক্ষণ, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি জানান।
স্মরণসভায় মুক্তিযুদ্ধের সময় বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর উপপ্রধান রবিউল আলম বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেশি-বিদেশি অপশক্তি সেই সময়ের মতো এখনো সক্রিয় রয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীদের রং-রূপ- চেহারা হয়তো পাল্টালেও চরিত্র পাল্টায়নি। তাই মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি, যাতে তারা দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে পারে।’
বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, ‘একাত্তরের গণহত্যায় জড়িত খুনিরা আজও বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং একাত্তরের ইতিহাস অস্বীকার করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে।’
গণহত্যা দিবস পালন কমিটির আহ্বায়ক হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা সিপিবির সভাপতি মাহবুবুর রহমান মজনু, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আফজাল হোসেন দোদুল, শহীদ পরিবারের সদস্য হাসিনুর রহমান, কাজী কিরণ, মিজানুর রহমান, রিয়াদুর রহমান, গণহত্যা গবেষক নবনীতা তপু প্রমুখ।