হোম > সারা দেশ > সিলেট

হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের রায়ের পরদিনই শাকসু নির্বাচন, সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট  

অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন শাবিপ্রবির উপাচার্য। ছবি: আজকের পত্রিকা

হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের রায়ের পরদিনই শাকসু নির্বাচন, অর্থাৎ কালকে রায় হলে পরশু ইলেকশন। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাকসুর নির্বাচনের পক্ষে ইতিবাচক রায়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে। সোমবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ইতিবাচক রায়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

সোমবার দিবাগত রাতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরি (অবগত করণ) সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষ আজকের পত্রিকার সঙ্গে আলাপকালে সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য অধ্যাপক ড. জহির বিন আলম এসব তথ্য জানান।

জহির বিন আলম বলেন, ‘শাকসু নির্বাচন নিয়ে তিনজন শিক্ষার্থী হাইকোর্টে রিট করায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে চেম্বার আদালতে আপিল করা হয়েছে। আদালত আপিলের শুনানির সময় ও তারিখ কিছু জানাননি।’

জহির বিন আলম আরও বলেন, ‘আমরা শিক্ষা ও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে আবার আবেদন করা হবে। চেম্বার আদালত সিদ্ধান্ত দিলে আমরা পরের দিনই নির্বাচন আয়োজন করব। কারণ নির্বাচন কমিশনের সব প্রস্তুতি নেওয়া আছে।’

মোবাইল ফোনে আলাপকালে জহির বিন আলম বলেন, ‘কালকে (মঙ্গলবার) উনারা আবার রিট করবে। রিট করার পরে যদি কালকে রায় পেয়ে যায়, তাহলে পরদিন আবার নির্বাচন হয়ে যাবে। এবং কেস করেই এটাকে সমাধান করতে হবে। এখন কোর্ট দিয়েই এটাকে সমাধান করতে হবে। আমরা চিল্লালেও কাজ হবে না। আমরা সিন্ডিকেট সভা থেকে ৪ / ৫ জন বড় উকিলের সঙ্গে কথা বলেছি। উনারা বলছে কোর্টের যেটা নিয়ম, ওইটার কাউন্টার ব্যালেন্স দিতে হবে। ওইটা কালকে আমরা আবার তুলব। যদি ওইটা ওখানে রায় হয়, সে জন্য আমরা আমাদের নির্বাচন কমিশনকে অ্যাকটিভ রাখছি। কালকে রায় পেলে পরশুদিন শাকসু নির্বাচন হবে ইনশা আল্লাহ। নির্বাচনের জন্য সবাই প্রস্তুত। যদি রায় না পাওয়া যায়, তাহলে আবার উকিলদের সঙ্গে কথা বলব। শাকসু না হওয়ার কারণ নাই। কারণ নির্বাচন কমিশন তো একটা কাগজে সই করে দিছে যে আমরা নিতে পারব। কাল যদি রায় আসে, তাহলে পরশু নির্বাচন। পরশু আসলে এর পরদিন নির্বাচন।’

এর আগে রাত সাড়ে আটটায় সিন্ডিকেটের জরুরি বৈঠক শুরু হয়। তা শেষ হয় রাত সাড়ে নয়টায়। রাত সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে করেন। বৈঠক শেষে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে দুজন প্রার্থী ও একজন শিক্ষার্থীর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার হাইকোর্ট চার সপ্তাহের জন্য এ নির্বাচন স্থগিত করেছেন।

ঢাকা-৫ আসন: নতুন ভোটাররা উৎফুল্ল, আকাঙ্ক্ষা নতুন কিছুর

নাটোর-২: সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে গণভোটের প্রচার

ঝিনাইদহ: জলাতঙ্কের টিকা নেই, বিপাকে রোগীরা

তিস্তা সেচনালার তীরে ভাঙন: ডুবল শতাধিক একরের ফসল

চট্টগ্রাম বন্দর: ২ ‘মাঘেও’ বন্দর থেকে ছাড়া পাচ্ছে না ত্রাণের শীতবস্ত্র

অবরুদ্ধ শাবিপ্রবির ভিসি ও প্রো-ভিসি, পদত্যাগ দাবি

ইসির ভেতরে ভূত লুকিয়ে আছে, এটা জানতাম না: আযম খান

কক্সবাজারে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, হত্যাকাণ্ড বলছে পরিবার

ভবঘুরের ছদ্মবেশে ৬ খুন: আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, কারাগারে সম্রাট

আশুলিয়ায় পোশাকশ্রমিকদের ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ৫ পুলিশ সদস্য আহত