প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে খুলনার আদালতে মানহানির মামলা করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিমের সোনাডাঙ্গা আমলি আদালতে মামলাটি করেছেন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের খুলনা মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি।
মামলার এজাহারে কুষ্টিয়া জেলার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের ডাবিরা ভিটার বাসিন্দা মুফতি আমির হামজাকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। মামলায় পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, ১৬ জানুয়ারি খুলনা মহানগরের সোনাডাঙ্গা থানাধীন সিঅ্যান্ডবি কলোনিতে অবস্থিত আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের কার্যালয়ে অবস্থানকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে আসামির বক্তব্য নজরে আসে।
ওই বক্তব্যে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর নাম ব্যঙ্গ করে জনসম্মুখে অবমাননাকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, বিষয়টি যাচাই-বাছাই ও সাংগঠনিকভাবে আলোচনা শেষে ন্যায়বিচারের আশায় কিছুটা বিলম্বে আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হন বাদী।
মামলার স্বপক্ষে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ও প্রাসঙ্গিক প্রমাণ রয়েছে বলে নালিশে দাবি করা হয়। নালিশে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মামলা আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানানো হয়েছে। বাদীর পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মো. বাবুল হাওলাদার।
আইনজীবী মো. বাবুল হাওলাদার বলেন, সোনাডাঙ্গা আমলি আদালতের বিচারক আসাদুজ্জামান খান মামলাটি আমলে নিয়ে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে আগামী ২৪ মে।