রাজধানীর পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
র্যাব-৪-এর মিডিয়া কর্মকর্তা কে এন রায় নিয়তির গণমাধ্যমে পাঠানো খুদে বার্তার তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার দুজন কিবরিয়া হত্যা মিশনে অংশগ্রহণকারী শুটার। বিদেশি রিভলবার, গুলিসহ তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কে এন রায় আরও জানান, গ্রেপ্তার দুজনের বিষয়ে আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় প্রেস ব্রিফিং করবেন র্যাব-৪-এর কোম্পানি কমান্ডার মো. শাহাবুদ্দিন কবির।
তবে গ্রেপ্তার দুজনের নাম-পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
গত বছরের ১৭ নভেম্বরে খুন হন কিবরিয়া (৪৭)। মিরপুর-১২ নম্বরের বি ব্লকের ‘বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি’ নামের একটি দোকানে ঢুকে খুব কাছ থেকে গুলি করে তাঁকে হত্যা করে মুখোশধারী তিন সন্ত্রাসী।
এই ঘটনায় পল্লবী থানায় পরদিন ১৮ নভেম্বর দুপুরে মামলা করেন কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার দিনা। মামলার নামীয় আসামিরা হলেন মো. জনি ভূঁইয়া (২৫), সোহেল ওরফে পাতা সোহেল ওরফে মনির হোসেন (৩০), সোহাগ ওরফে কাল্লু (২৭), মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুম (২৮) ও রোকন (৩০)। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা সাত-আটজনকে আসামি করা হয়েছে।
কিবরিয়া ছিলেন পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব। এ হত্যার ঘটনা তদন্তে যুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের ধারণা, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারসহ লেনদেন নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকে কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়। ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামি পাতা সোহেল ও মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নির্দেশনা দিলে মামলার ১ নম্বর আসামি জনি ভূঁইয়া, সোহাগ ওরফে কাল্লু ও রোকন ওই দোকানে অতর্কিত প্রবেশ করেন। কেউ কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই গোলাম কিবরিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিস্তল দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যান।