ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বাসে গৃহবধূ ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তার বাসচালক আলতাফ ও তাঁর সহকারী রাব্বি। টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাঁরাসহ গ্রেপ্তার তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুমেলিয়া সিরাজাম।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ভিক্টর ব্যানার্জী বলেন, গ্রেপ্তার বাসচালক আলতাফ (২৫) ও তাঁর সহযোগী মো. রাব্বি (২১) জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাঁরা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। গ্রেপ্তার বাসচালকের আরেক সহযোগী সাগর (২৪) ঘটনার সময় বাসে থাকলেও ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করেননি।
তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান, ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা শুক্রবার হয়েছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গত বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে ওই গৃহবধূ সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে আশুলিয়া যেতে সাভার পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। ওই সময় বাসে দুইজন যাত্রী ছিলেন। কিছুদূর যাওয়ার পর ওই দুই যাত্রী নেমে যান। এরপর একা পেয়ে ওই গৃহবধূকে চালক আলতাফ ও চালকের সহকারী রাব্বি ধর্ষণ করেন। বাসটি সাভার, আশুলিয়া ও চন্দ্রা এলাকায় সারা রাত বিভিন্ন সড়কে ঘুরতে থাকে। বৃহস্পতিবার সকালে বাসটি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়ে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মহাসড়কের করটিয়া বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস এলাকায় থামানো হয়। এ সময় সন্দেহ হলে হাইওয়ে পুলিশের টহল দল এগিয়ে যায়। তাঁরা ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে বাসের চালক ও দুই সহযোগীকে আটক করে। পরে তাঁদের টাঙ্গাইল সদর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।