স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অভিযান
রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে সাতটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং দুটি ব্লাড ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিন দিনব্যাপী অভিযানে গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পৃথক পরিদর্শক দলের ঝটিকা অভিযানে বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা ধরা পড়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের ইনডোর, ওটি, আইসিইউসহ যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসহ) বরাবর দাখিল করা পরিদর্শন প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। পরিদর্শন টিমে ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. সৈয়দ আবু আহাম্মদ শাফী, সহকারী পরিচালক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান, ডা. আহসানুল হক এবং অন্য কর্মকর্তারা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত তিন দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত টিম রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ব্লাড ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর নিমতলীর মজেদ সরকার রোডের আহমেদ স্পেশালাইজড হাসপাতাল, হোসনি দালান রোডের অ্যাকটিভ ব্লাড ব্যাংক, ট্রান্সফিউশন অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাজিমউদ্দিন রোডের ক্রিয়েটিভ ব্লাড ব্যাংক, অথেনটিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং প্রাইম টিজি ডায়াগনস্টিক ও কনসালটেশন সেন্টার বন্ধ করা হয়েছে।
এর আগে রাজধানীর মোহাম্মদপুর কলেজ গেট এলাকার মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে ছয়টি বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি ব্লাড ব্যাংকে গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর দায়ে দুটি হাসপাতাল সম্পূর্ণ ও দুটি আংশিক বন্ধ এবং বাকি তিন প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে।
সেগুলো হলো- যমুনা হাসপাতাল, রয়েল মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ঢাকা হেলথ কেয়ার হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রেডিয়াম ব্লাড ব্যাংক, টিজি মাল্টি স্পেশালাইজড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্রাইম অর্থোপেডিক ও জেনারেল হসপিটাল অ্যান্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং প্রাইম ব্লাড ব্যাংক।
পাশাপাশি মিরপুর রোডের ডক্টরস কেয়ার অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারও অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়।