হোম > সারা দেশ > পটুয়াখালী

বাউফলে সেতুর কাজ থমকে আছে তিন বছর ধরে, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 

কয়েক দফা সময় বাড়ানোর পরও তিন বছরে নির্মিত হয়েছে মাত্র দুটি পিলার। ছবি: আজকের পত্রিকা

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরদিয়ারা কচুয়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে একটি খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ছয় মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন বছর পেরিয়েছে। তবু দৃশ্যমান অগ্রগতি বলতে কেবল দুটি পিলার নির্মাণ। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনুপস্থিতিতে সেতুর কাজ থমকে থাকায় আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দিয়ারা কচুয়া জনতা বাজার-সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিতব্য সেতুটির জন্য বরাদ্দ ধরা হয় ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ টাকা।

দরপত্রের মাধ্যমে পটুয়াখালীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাফিন এন্টারপ্রাইজ কাজটি পায়। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের জুনে কাজ শুরু হয়ে ওই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও কাজের তেমন অগ্রগতি হয়নি। কয়েক দফা সময় বাড়ানোর পরও তিন বছরে নির্মিত হয়েছে মাত্র দুটি পিলার।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেতুর নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদারকেও এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে নির্মাণাধীন সেতুর পাশে স্থানীয় বাসিন্দারা চাঁদা তুলে একটি অস্থায়ী কাঠের সাঁকো তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারীদের প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এবং মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটছে।

দক্ষিণ ও উত্তর কচুয়া গ্রামের হাজারো মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথ হওয়ায় দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, কয়েক বছর আগে সেতুর কাজ শুরু হলেও কিছুদিন পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অন্য একজন এসে কিছুদিন কাজ করলেও দীর্ঘদিন ধরে আর কোনো অগ্রগতি নেই।

আরেক বাসিন্দা মজিবর রহমান মাঝি বলেন, ঠিকাদার অস্থায়ী সাঁকো করে দেওয়ার কথা বললেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। পরে এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে চাঁদা তুলে সাঁকো তৈরি করেছেন। নড়বড়ে এই সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।

একই এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোর কারণে অনেক শিক্ষার্থী ঠিকমতো স্কুল ও মাদ্রাসায় যেতে পারছে না। কেউ কেউ পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোর্শেদ মুরাদ বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই সেতুটির কাজ শুরু হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাজ শুরু করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

নালিতাবাড়ী ও নকলায় সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

নীলফামারীতে টেন্ডার না পেয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে হুমকি দেওয়া যুবদল নেতা বহিষ্কার

ঈদযাত্রা: ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই শহর ছাড়ছে মানুষ

ঢাবি শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে পুলিশে দেওয়ার ৫ দিন পর ছাত্রশক্তি নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

লামায় লাকড়িবোঝাই ট্রাক খাদে, চালকসহ নিহত ২

‘একসঙ্গে এত কবর কখনো খুঁড়ি নাই’

রাজশাহী বার সমিতির নির্বাচনে ২১ পদের ২০টিই পেল বিএনপি

রক্তভেজা রাস্তায় পড়ে আছে শিশুর ফিডার, জুতা ও কাচের টুকরা

চট্টগ্রামে ৭ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা