হোম > সারা দেশ > ঢাকা

সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল ১২৫ বার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি। ফাইল ছবি

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে নতুন দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই তারিখ ধার্য করেন।

এর আগে আদালত আজ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন। কিন্তু তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন। শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম রাসেল নতুন তারিখ ধার্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ নিয়ে সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৫ বার পেছানো হলো।

এর আগে ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনসের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক আদালতে হাজির হয়ে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানান। ওই দিন তিনি আদালতকে জানান, তিনি তদন্তভার নেওয়ার পর এ পর্যন্ত ৭০ জন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি হয়েছে। তদন্ত চলছে। আশা করা যায়, খুব শিগগির তদন্ত শেষ হবে। এই মামলার তদন্ত বিলম্বিত হওয়ায় আদালত সেদিন অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

এরপর ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তদন্তের দায়িত্ব থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে পিবিআইকে দেন। এরপর নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয় এই মামলায়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সারোয়ার ওরফে সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার ওরফে মেহেরুন রুনি দম্পতি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় খুন হন।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ প্রথমে মামলাটি তদন্ত করে। চার দিনে কোনো রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে না পারায় মামলার তদন্ত পরে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি পুলিশ। কিন্তু তারাও রহস্য উদ্‌ঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল র‌্যাব তদন্তভার গ্রহণ করে।

তবে গত নয় বছরের বেশি সময় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি কোনো সংস্থা। এমনকি এই হত্যাকাণ্ডেরও কোনো রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে পারেনি।

প্রসঙ্গত, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের পর আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁরা হলেন কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, পলাশ রুদ্র পাল, আনামুল হক ওরফে হুমায়ুন কবির ও তানভীর রহমান খান। বর্তমানে তানভীর ও পলাশ জামিনে এবং অন্যরা কারাগারে আছেন।

ইডেন ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গায়ক জাহিদ অন্তু কারাগারে

স্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে স্ত্রীর বাড়িতে যুবকের অনশন

নিজের ব্যানার নিজেই ছিঁড়লেন চসিক মেয়র

নারায়ণগঞ্জে থানা থেকে আসামি উধাও, এসআই প্রত্যাহার

প্রতিমন্ত্রীর আসনে সহায়তার ১০ লাখ টাকা বিতরণ না করার অভিযোগ

লিবিয়ায় জিম্মি চার বাংলাদেশি, নির্যাতন করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ

বিমার টাকায় ঋণমুক্ত অসহায় দুই পরিবার

যশোর ইনস্টিটিউটের নির্বাচনী লড়াইয়ে দুই পরিষদের ৪৬ প্রার্থী

সিএমপিতে যোগ দিলেন নবনিযুক্ত কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী

নেত্রকোনায় শিশু তুবা হত্যা: এক মাসেও অধরা আসামি, মানববন্ধনে ক্ষোভ