রমজানে চিনি, তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না। খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। অসৎ ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে সরকার জিরো টলারেন্স দেখাবে। নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর চক্রান্ত করলে মোবাইল কোর্ট তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে। আজ রোববার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, চিনি খাদ্য কর্পোরেশন এর কাছে বর্তমানে ৪৪ হাজার টন চিনি মজুদ আছে যা এই রমজানে বাংলাদেশের জনগণের চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট।
হঠাৎ করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে না দেওয়ার অনুরোধ করে তিনি বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য মুসলিম দেশে রমজান মাসে খাবারের দাম কমে। অনেক দেশের ব্যবসায়ীরা এই মাসে ফ্রি খাবার বিতরণ করে। অথচ আমাদের দেশে দেখা যায় উল্টোচিত্র। এ বছর রমজানে 'চিনি খাদ্য কর্পোরেশন' এর খোলা চিনির পাইকারি মূল্য থাকবে ৬০ টাকা। প্যাকেটজাত চিনির পাইকারি মূল্য থাকবে ৬৫ টাকা।
খুচরা বাজারে এগুলো প্রতি কেজি ১০ টাকা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৭০ টাকা এবং ৭৫ টাকা বিক্রি করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। এর বেশি দামে কেউ চিনি বিক্রি করলে তাৎক্ষণিক মোবাইল কোর্ট আইনগত ব্যবস্থা নেবে। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, র্যাব, থানা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বি এস টি আই টিম সারাদেশে রমজান মাসে পণ্যের দাম ও মান নিয়ন্ত্রণে সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকবে বলে জানান মন্ত্রী।
বছরজুড়ে ২২৭ টি পণ্য বিএসটিআই মান নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এবারের রমজানে করোনা এবং লকডাউনের আশঙ্কা থাকায় বিএসটিআই তদারকি বাড়াবে।
আইন অমান্যকারীদের জরিমানার পরিমাণ খুবই কম বর্তমান বাজার অনুযায়ী। ভবিষ্যতে জরিমানা বাড়ানোর উদ্যোগ আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান বিষয়টি নিয়ে তারা চিন্তা-ভাবনা করছেন।
ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সচিব কে এম আলী আজম, চিনি খাদ্য কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, বিএসটিআই'র প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।