হোম > সারা দেশ > চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত কর্মী নিহত

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 

সংঘর্ষে আহত একজন মারা গেছেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হাফিজুর রহমান (৫০) মারা গেছেন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর কাকরাইলে একটি হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তির ছোট ভাই বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমানকে (৪৫) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল রাত ২টার দিকে জীবননগর পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি আরিফ জোয়াদ্দার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরিফ জোয়াদ্দার বলেন, ‘হাসাদার ঘটনায় বাঁকা ইউনিয়ন আমির মফিজুর রহমানের বড় ভাই ও ঢাকা জুয়েলার্সের মালিক হাফিজুর রহমান ভাই মারা গেছেন। আর মফিজুর রহমান ভাইয়ের অবস্থা সংকটাপন্ন। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

জানা গেছে, লাশ নিয়ে ঢাকা থেকে রওনা হয়েছেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আমির রুহুল আমিন। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় এই ঘটনায় জামায়াত বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের জামায়াতের সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীর বিরোধ চলছিল। বিরোধ মীমাংসার জন্য গতকাল রাতে হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বসার কথা ছিল। তবে সন্ধ্যার দিকে দুই পক্ষের কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

সংঘর্ষে আহত মেহেদী বলেন, ‘আমি বাজার করতে গিয়েছিলাম। এ সময় আমার আব্বা ফোন করে বলেন, জামায়াতের লোকজন বাড়িতে আক্রমণ করেছে। এসে দেখি আমার আব্বাকে মারধর করা হচ্ছে। এ সময় ইসরাইলের নেতৃত্বে সোহাগ এসে চায়নিজ কুড়াল দিয়ে আমার মুখে কোপ মেরেছে। আমাদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।’

মেহেদীর বাবা জসিম উদ্দীন বলেন, ‘আমি মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়েছিলাম। তখন ইসরাইল হুজুর বেশ কয়েকজনকে নিয়ে নারায়ে তাকবির স্লোগান দিয়ে হামলা শুরু করে। আমি বলেছিলাম, আগে কথা শোনো; কিন্তু তারা কিছু না শুনেই আমাকে মারধর করে। পরে সুটিয়ার এক ছেলে ও সোহাগ মারধর করে। এরপর আমার ছেলে এলে তাকেও মারধর করা হয়। তাদের হাতে রামদা, হকিস্টিক ও চায়নিজ কুড়াল ছিল।’

রাতে হাসাদাহ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আখতারুজ্জামান বলেন, ‘হামলায় আহত জামায়াতের তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সম্ভবত তাঁদের ঢাকায় নেওয়া হবে। দলীয় সিদ্ধান্তের পর মামলা করা হবে।’

এ বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, হাসাদাহে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে। আহত একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

খাবারে মেয়াদোত্তীর্ণ রং ব্যবহার, ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

পরীক্ষায় পাস করতে না পেরে কলেজ গেটে তালা

মা হারালেন বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা

টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে জিপ ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১

সীতাকুণ্ডে আবুল খায়ের স্টিল কারখানায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আটক ৭

শেখ সেলিমের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন, স্ত্রী–সন্তানদের সম্পদ বিবরণী চাইল দুদক

শজিমেক অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক কমিটি

চাঁদাহীন সিটি গড়তে আমরা কাজ করব: কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু

সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের চেষ্টাকালে ১৫৩ জন উদ্ধার, আটক ১৫

গ্রেপ্তার এড়াতে বাড়ির চারপাশে সিসি ক্যামেরা বসিয়েও শেষরক্ষা হলো না!