নোয়াখালীতে কালবৈশাখীতে রেললাইনের বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ায় নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা পর ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেল আন্তনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন। এতে নির্দিষ্ট সময়ে ঢাকা পৌঁছাতে না পারায় বিপাকে পড়েন ট্রেনযাত্রীরা।
সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হয়। এ সময় জেলার বিভিন্ন স্থানে রেললাইনের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে।
জানা গেছে, জেলার সোনাপুর স্টেশন থেকে মঙ্গলবার ভোর ৬টায় উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি মাইজদী কোর্ট স্টেশনের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া কথা ছিল। কিন্তু হরিনারায়ণপুর স্টেশনে লাইনে গাছ পড়ে থাকায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেটি অপসারণ করলে প্রায় আধা ঘণ্টা পর ট্রেনটি মাইজদী কোর্ট স্টেশনের উদ্দেশে ছেড়ে আসে।
মাইজদী বসিরার দোকান ইমাম বাজারসংলগ্ন রেললাইনের ওপর গাছ অপসারণ করার পর ট্রেনটি সকাল ৮টার দিকে মাইজদী কোর্ট স্টেশন থেকে চৌমুহনীর উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
কয়েকজন যাত্রী জানান, নির্দিষ্ট সময়ে ঢাকা পৌঁছার জন্য কিছু যাত্রী ট্রেন থেকে নেমে বাসে চলে গেছেন। তবে তাঁদের সংখ্যা খুব বেশি না। প্রাথমিকভাবে কিছুটা সময় বিলম্বিত হলেও পুনরায় ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ায় খুশি তাঁরা।
মাইজদী কোর্ট স্টেশনের স্টেশনমাস্টার কামরুজ্জামান বলেন, হরিনারায়ণপুর স্টেশনের কাছে লাইনের ওপর চারটি গাছ ভেঙে পড়ে। ভোর থেকেই রেলওয়ে ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাইন ক্লিয়ারের জন্য গাছ অপসারণের কাজ শুরু করেন। হরিনারায়ণপুর থেকে গাছ অপসারণের পর ৬টা ৩৫ মিনিটে সোনাপুর থেকে কোর্ট স্টেশনে এসে ৭টা ৫২ মিনিটে চৌমুহনীর উদ্দেশে ছেড়ে যায় উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন।
চৌমুহনী স্টেশনের স্টেশন অফিসার ফখরুল ইসলাম নোমান বলেন, ‘মাইজদী থেকে ৮টা ৪২ মিনিটে ট্রেনটি চৌমুহনী স্টেশনে আসে। এরই মধ্যে লাইন থেকে গাছগুলো অপসারণ করায় পাঁচ মিনিটের মধ্যে আমাদের স্টেশন থেকে ছেড়ে যায় ট্রেনটি। কন্ট্রোল রুম থেকে যতটুকু জানানো হয়েছে, আর কোথাও লাইনের ওপরে গাছ পড়েনি।’