হোম > বিশ্লেষণ

ইয়েমেন সংকট ও হুতিদের উত্থান: সৌদির শত বছরের ভুল নীতি যেভাবে বুমেরাং হলো

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

আজকের ইয়েমেন সংকটের পেছনে সৌদি আরবের ভুল নীতিই অনেকাংশ দায়ী। ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনকে দুর্বল ও অস্থিতিশীল রাখার যে নীতি সৌদি আরব এতদিন ধরে চালিয়ে আসছিল, তার উল্টো ফল হয়েছে। সৌদি আরবের এই নীতির কারণেই মূলত হুতিরা এক বিশাল শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যা এখন খোদ সৌদির নিরাপত্তার জন্যই মারাত্মক হুমকি।

রিয়াদের বিমানবন্দর এবং সাধারণ বিভিন্ন স্থাপনায় সাম্প্রতিক হুতি হামলায় বিশ্ব চমকে উঠলেও, এই নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাত সৌদি রাজপরিবারের জন্য কোনো সারপ্রাইজ বা অপ্রত্যাশিত বিষয় নয়। কারণ, সৌদি আরব ভালো করেই জানে যে—তারা শুধু ইরান সমর্থিত একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মুখোমুখিই হচ্ছে না, বরং দক্ষিণ সীমান্তের প্রতিবেশীর সাথে প্রায় ১০০ বছর ধরে তিলে তিলে জমা হওয়া এক পুরনো লড়াইয়ের মুখোমুখি।

ইয়েমেনকে দুর্বল রাষ্ট্র করে রাখার উদ্দেশ্যে সৌদি আরব কয়েক দশক ধরে সেখানকার বিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দিয়ে আসছিল। কিন্তু এই কৌশলের ফলে অজান্তেই এক শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ শত্রু তৈরি হয়ে গেছে। হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য সৌদি সামরিক শক্তি দিয়ে যুদ্ধ থামিয়ে স্বস্তি পেতে পারে, কিন্তু বিমান হামলা চালিয়ে বা মিত্র বাহিনীর বহর পাঠিয়ে কোনো স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সৌদি আরবের ইয়েমেন-সংক্রান্ত পুরো নীতিমালার একটা বড় ধরনের পরিবর্তন বা ওভারহল।

সৌদি-ইয়েমেন সম্পর্কের মূল বিরোধের জায়গাটা হলো সীমান্ত। ১৯৩৪ সালে সৌদি-ইয়েমেন যুদ্ধের পর ‘তায়েফ চুক্তি’র মাধ্যমে ইয়েমেন সীমান্তের তিনটি প্রদেশ—আসীর, নাজরান ও জিজান আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের দখলে নেয় সৌদি আরব। কাগজপত্র বা খাতা-কলমে সেখানকার অধিবাসীরা সৌদি নাগরিক হলেও, তারা দেশের সবচেয়ে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অংশ হয়েই রয়ে গেছে। আসীর অঞ্চলে সম্প্রতি কিছু উন্নয়নমূলক কাজ হলেও, ঐতিহাসিকভাবেই এই তিনটি অঞ্চলকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়নি সৌদি রাজপরিবার। ফলে সেখানকার সাধারণ মানুষ খুব সহজেই ধর্মীয় উগ্রবাদ ও চরমপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

সংস্কৃতি, ভাষা ও ধর্মের দিক থেকে এই তিন অঞ্চলের মানুষ এখনও পুরোদস্তুর ইয়েমেনি। সীমান্তে ইয়েমেনিদের সঙ্গে তাদের আত্মীয়তা ও পারিবারিক সম্পর্কও রয়ে গেছে। বহু দশক ধরে ইয়েমেনের সঙ্গে সৌদির প্রায় ৮০০ মাইলের এই সীমান্ত এলাকাটি ছিল বেশ ফাঁকা ও নজরদারিমুক্ত। ফলে মানুষ, অস্ত্র এবং চোরাচালানের জিনিসপত্র খুব সহজেই এপার-ওপার আসা-যাওয়া করতো।

শুধু আসীর, নাজরান ও জিজানের ভেতর থেকেই সৌদির জন্য হুমকি আসেনি; গত এক শতাব্দীতে ইয়েমেনের ভেতরে গড়ে ওঠা বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন থেকেও ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নিজেদের জাতীয়তাবাদী ভাবমূর্তি তৈরি করার জন্য সানা শহরের ক্ষমতার মসনদে যখনই নতুন কোনো শাসক বা সরকার এসেছে, তারা সবসময়ই প্রকাশ্যে দাবি তুলেছে যে সৌদির দখলে থাকা এই তিন অঞ্চল ইয়েমেনকে ফেরত দিতে হবে। তবে এসব বড় বড় কথাবার্তা কেবল কথার কথা বা কল্পনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কারণ সৌদির কাছ থেকে সেই অঞ্চলগুলো ছিনিয়ে নেওয়ার মতো শক্তি ইয়েমেনের কখনো ছিল না। আর শক্তি থাকলেও, সেই তিন প্রদেশের বাসিন্দারা যে নিজেদের সৌদি নাগরিকত্ব ছেড়ে ইয়েমেনি পাসপোর্ট গ্রহণ করতে রাজি হতো—তারও কোনো নিশ্চয়তা ছিল না।

সৌদি নেতৃত্ব অবশ্য সাধারণ ইয়েমেনিদের এই ছোটখাটো আন্দোলন বা ফাঁপা রাজনৈতিক বক্তব্যকে খুব একটা পরোয়া করতো না। কিন্তু তাদের মূল ভয় ছিল অন্য জায়গায়—যদি সীমান্ত ঘেঁষে ইয়েমেন একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে দাঁড়িয়ে যায়, তবে তা সৌদি আরবের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তার জন্য বড় সংকট তৈরি করতে পারে। তাই সৌদি আরব ইয়েমেনকে দুর্বল রাখার কৌশল বেছে নেয়। তারা ইয়েমেনের রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও উপজাতীয় বিভেদগুলোকে কাজে লাগিয়ে সেখানকার বিভিন্ন বিরোধী দলকে সামরিক ও আর্থিক সুবিধা দিতে থাকে, যাতে দেশটি সবসময় গৃহদাহ ও বিভাজনে জড়িয়ে থাকে।

উদাহরণস্বরূপ, ১৯৬২ সালে যখন উত্তর ইয়েমেনের ইমাম রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং মিসরের সাহায্যে একটি প্রজাতান্ত্রিক সরকার সানা দখল করে, তখন সৌদি আরব ওই নতুন সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করা উত্তর অঞ্চলের উপজাতীয় জোটকে (যারা বর্তমানে হুতি আন্দোলনের মূল সমর্থক) সাহায্য করা শুরু করে। আবার ১৯৬৮ সালে যখন দক্ষিণ ইয়েমেন ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীন হয়ে প্রথম ও একমাত্র আরব কমিউনিস্ট রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, তখন সৌদি সরকার সেই উত্তর অঞ্চলের উপজাতিদের পাশ থেকে সরে দাঁড়ায়। এর বদলে তারা সানার নতুন রক্ষণশীল রাজনৈতিক দলকে সমর্থন দেয়, যারা ততদিনে মিসরের সমর্থন হারিয়ে ফেলেছিল।

সৌদির আসল পছন্দ ছিল—একটি বিভক্ত ইয়েমেন এবং সানায় এমন একটি সরকার যা চলার জন্য সৌদির অনুদানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করবে। কিন্তু ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত উত্তর ইয়েমেনের তৃতীয় প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম আল-হামদি যখন উত্তর ও দক্ষিণ ইয়েমেনকে এক করার উদ্যোগ নেন, তখন তাঁকে হত্যা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে সৌদি এজেন্টদের হাত ছিল।

অবশেষে ১৯৯০ সালে যখন দুই ইয়েমেন একত্র হয়, তখন সৌদি আরব বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। তারা শক্তিশালী প্রতিবেশীর উত্থানকে নিজেদের জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখতে শুরু করে। আর সৌদির এই ভয় সত্যি হয় যখন ১৯৯০ সালের আগস্টে ইরাক কুয়েত আক্রমণ করার পর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলী আবদুল্লাহ সালেহ প্রকাশ্যে ইরাকি প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে সমর্থন দেন। জবাবে সৌদি আরব থেকে ১০ লাখেরও বেশি ইয়েমেনি শ্রমিককে একযোগে বের করে দেয় রিয়াদ। এর ফলে ইয়েমেনে যে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট দেখা দেয়, দেশটি আজ পর্যন্ত তা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

এরপরও একত্রিত ইয়েমেনের ভয় সৌদির মন থেকে কাটেনি। তাই ১৯৯৪ সালে সৌদির নেপথ্য মদদে দক্ষিণ ইয়েমেনে একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন শুরু হয়, যা পরবর্তীতে সালেহ সরকার ও দক্ষিণ ইয়েমেনের সমাজতন্ত্রীদের মধ্যে এক রক্তাক্ত গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। এই গৃহযুদ্ধে দক্ষিণি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পরাজিত করার জন্য প্রেসিডেন্ট সালেহ সশস্ত্র চরমপন্থী ও ইসলামিস্টদের ব্যবহার করেন। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত ইয়েমেনের বিভিন্ন উপজাতি ও ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে নতুন করে বিবাদ তৈরি করে, যা শেষ পর্যন্ত হুতি আন্দোলন বা আনসারুল্লাহ গঠনের পথ প্রশস্ত করে।

পরিস্থিতি এভাবে খারাপের দিকে যাচ্ছে বুঝতে পেরে, ২০০৩ সালে দুই দেশের উন্মুক্ত সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে আনতে এক নিরাপত্তা প্রাচীর তৈরি করা শুরু করে সৌদি আরব। আর সৌদির আশঙ্কাই সত্যি করে ২০০৪ সালে ইয়েমেন সরকার ও উত্তর অঞ্চলের এই নতুন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথম দফায় যুদ্ধ শুরু হয়। ২০০৯ সালে যখন এই যুদ্ধের পঞ্চম ধাপ সীমান্ত অতিক্রম করার উপক্রম হয়, তখন সৌদি সামরিক বাহিনী সরাসরি হস্তক্ষেপ করে এবং হুতি মিলিশিয়াদের হাতে নিজেদের প্রথম সামরিক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়।

এরপর, ২০১০ সালে সানার ইয়েমেন সরকার এবং হুতিদের মধ্যে সাময়িক একটি শান্তি চুক্তি হলেও, প্রেসিডেন্ট সালেহের ওপর থেকে ততদিনে আস্থা হারিয়ে ফেলে সৌদি আরব। এর পরপরই ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে আরব বসন্ত নামে পরিচিত গণবিক্ষোভের মুখে সালেহ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। এরপর সৌদি সরকার তাদের সমস্ত বাজির চাল ধরে সালাফি রাজনীতিবিদ ও সেনা কমান্ডারদের (যেমন আলী মহসিন আল-আহমার) ওপর, যারা হুতি আন্দোলনের বিকল্প ধর্মীয় ও রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরেছিলেন।

কিন্তু জাতিসংঘের ভুল কূটনৈতিক পদক্ষেপ, সরকারের জনপ্রিয়তা হ্রাস এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে সৌদি-সমর্থিত রাজনৈতিক দলগুলো খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। হুতি আন্দোলনের সুসংগঠিত সাংগঠনিক শক্তি ও জনপ্রিয়তার সামনে তারা টেকেনি। ফলে সৌদি আরব যে একটি দুর্বল প্রতিবেশীর আশা করেছিল, তার জায়গায় ইয়েমেনি ভূখণ্ডে তৈরি হয়েছে একটি একনায়কতান্ত্রিক ও আক্রমণাত্মক সামরিক শক্তি। হুতিদের এই নতুন রূপ শুধু সৌদি রাজ্যের জন্যই হুমকি নয়, বরং লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্যও বিরাট বিপদ হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমানে হুতিদের ওপর ইরানের যে মদদ রয়েছে, তা মূলত ইয়েমেনের ভেতরে বিরোধী দলগুলোকে ব্যবহার করে অস্থিতিশীল করার সৌদি নীতিরই একটি রূপ বা প্রতিফলন। বলা চলে, সৌদির এই পুরোনো নীতিই ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসির কাজ সহজ করে দিয়েছে।

সৌদি আরব যদি এই হুতি সংকটের হাত থেকে রেহাই পেতে চায়, তবে ইয়েমেনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি বদলাতে হবে। একেক সময় একেক বিরোধী দলকে অর্থ দেওয়াটা অনেকটা রিভলবার দিয়ে নিজের মাথায় ‘রাশিয়ান রুলেৎ’ খেলার মতো বিপদজনক। কারণ আজ যে দল বিরোধী দলে আছে, কাল তারা ক্ষমতায় এসে সৌদির স্বার্থেরই চরম শত্রু হয়ে দাঁড়াতে পারে। এবং ইতিহাস এর প্রমাণ দিয়েছে।

কৃত্রিমভাবে তৈরি প্রেসিডেনশিয়াল কাউন্সিল কিংবা বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অস্ত্র দেওয়া আসলে কেবল সাময়িক চেষ্টা মাত্র, এতে আসল কাজ হবে না। বিশেষ করে হুতিরা এখন যেভাবে বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সরাসরি সৌদির ভেতরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর ক্ষমতা অর্জন করেছে, তাতে কেবল সামরিক বলপ্রয়োগ করে কাজ হবে না। একমাত্র আশা হলো, যুদ্ধের মাধ্যমে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি অর্জন করা। আর যুদ্ধ বিরতির ওই সময়টাকে সৌদি কীভাবে ব্যবহার করবে—তার ওপরই নির্ভর করছে তাদের ভবিষ্যৎ।

নড়বড়ে হুতি-বিরোধী সামরিক জোট না গড়ে, সৌদি আরবের উচিত ইয়েমেন প্রজাতন্ত্রের বাকি অংশকে এমন কিছু দেয়া যা তারা তাদের দেশের জনগণের সামনে তুলে ধরতে পারে। এটা হতে পারে কোনো বড় অর্থনৈতিক বিনিয়োগ, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসির সদস্যপদ প্রদান, কিংবা বিতর্কিত সেই তিনটি সীমানা নিয়ে একটি সম্মানজনক রাজনৈতিক সমাধান। বিভক্ত ও অস্থিতিশীল ইয়েমেনকে ভয় না পেয়ে, সৌদির উচিত সীমান্ত ঘেঁষে একটি সমৃদ্ধ ও স্বাভাবিক ইয়েমেন গঠনে সাহায্য করা, যা নিজের দায়িত্ব নিতে পারবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব মোকাবিলায় সৌদির প্রকৃত মিত্র হতে পারবে।

দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট থেকে অনুবাদ করেছেন আজকের পত্রিকার সহসম্পাদক আব্দুর রহমান

সৌদি আরবে কোন কোন অপরাধে মৃত্যুদণ্ড হয়—কেন

কলকাতায় পদদলিত হয়ে ১৯ প্রাণহানি: এ ধরনের দুর্ঘটনা কীভাবে ঘটে, প্রতিরোধের উপায় কী

তৃতীয় মহাযুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে বিশ্ব, লক্ষণ স্পষ্ট

দিল্লি যাবেন না, মুম্বাইয়ে বৈঠক করবেন রুবিও, ভারতকে কী বার্তা দিল যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়ে যেভাবে চীনের সফট পাওয়ারের হাতিয়ার হয়ে উঠল

বাংলাদেশের মতো সরকার পতনে বিজেপি কেন সতর্ক করছে

ইয়েমেনের তাইজ দখলের লড়াই কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

বিপুল সামরিক ব্যয় সত্ত্বেও কেন হুতিদের সামনে নাকাল সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র কেন দূরে

৯৬% মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে কেন বিদ্যালয়ে হিজাবে নিষেধাজ্ঞা

নেহা বোরার সংগঠন আইসা কী, তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যইবা কী