চট্টগ্রামের বিপক্ষে গতকাল ১৮৫ রান করেও জিততে পারেনি ঢাকা মহানগর। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম ১৮৬ রান তাড়া করে জিতেছে ১৯ বল হাতে রেখেই। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের মাঠে নেমে হারল নাঈম শেখের নেতৃত্বাধীন ঢাকা মহানগর। এবার তাদের হারিয়েছে খুলনা।
রাজশাহীতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর স্বাগতিক রাজশাহীর বিপক্ষে ৭ উইকেটে জিতেছিল ঢাকা মহানগর। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত একটা ম্যাচই জিতেছে ঢাকা মহানগর। নাঈম শেখের দল এরপর হেরেছে টানা দুই ম্যাচ। চট্টগ্রামের কাছে ৮ উইকেটে হারের পর আজ ঢাকা মহানগর ১৭২ রানের লক্ষ্যও তাড়া করতে পারেনি। সিলেট একাডেমি গ্রাউন্ডে আজ ঢাকা মহানগরকে ২২ রানে হারিয়ে সৌম্য সরকার-মেহেদী হাসান মিরাজদের খুলনা।
সিলেট একাডেমি গ্রাউন্ডে ১৭২ রানের লক্ষ্যে নেমে ১১ রানেই ভেঙে যায় ঢাকা মহানগরের উদ্বোধনী জুটি। দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে মাহফিজুল ইসলাম রবিনকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন খুলনার বাঁহাতি স্পিনার জায়েদ উল্লাহ। শুরুর এই ধাক্কা সামাল দিতে তিন নম্বরে নামেন আনিসুল ইসলাম। ওপেনার নাঈম শেখের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটি গড়তে অবদান রাখেন আনিসুল। কিন্তু নবম ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে আনিসুল-নাঈম আউট হলে চাপে পড়ে ঢাকা মহানগর। আনিসুলের উইকেট নিয়েছেন শেখ পারভেজ জীবন। এই জীবনের ওভারে রান আউট হয়েছেন নাঈম শেখ। ২৩ বলে ৫ চারে ৩৩ রান করেন নাঈম।
আনিসুল-নাঈমের বিদায়ে ঢাকা মহানগরের স্কোর হয়ে যায় ৮.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ৭০ রান। চতুর্থ উইকেটে এরপর সাদমান ইসলাম ও শামসুর রহমান শুভ গড়েন ৩৩ রানের জুটি। কিন্তু সাদমান ফেরার পরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ঢাকা মহানগরের ইনিংস। ৪৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৯.১ ওভারে ১৪৯ রানে গুটিয়ে যায় নাঈম শেখের দল। খুলনার ২২ রানের জয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন এনামুল হক বিজয়। ২৬ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪৯ রান করেন। ম্যাচে খুলনার সেরা বোলার শেখ পারভেজ জীবন। ৩.১ ওভারে ২২ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা মহানগরের অধিনায়ক নাঈম শেখ। প্রথমে ব্যাটিং পাওয়া খুলনা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭১ রান করেছে। ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৯ রান আসে বিজয়ের ব্যাটে। ঢাকা মহানগরের আবু হায়দার রনি নিয়েছেন ২ উইকেট।
এনসিএলে দিনের অপর ম্যাচে সহজ জয় পেয়েছে। টস জিতে আগে ব্যাটিং নেওয়া সিলেট নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে করেছে ১৩৪ রান। জবাবে ঢাকা ১৭ ওভারে ১ উইকেটে করেছে ১৩৫ রান। ৩ ওভার হাতে রেখে ৯ উইকেটের জয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন আশিকুর রহমান শিবলি। ৩৯ বলে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় করেছেন ৬০ রান।