টানা জয়ের ধারায় ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রংপুর রাইডার্স। গতকাল দুই দলের এই লড়াইয়ে চট্টগ্রামকে হারিয়ে হ্যাটট্রিক জয় তুলে নিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল। চট্টগ্রামের দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্য ৭ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই জিতে গেছে রংপুর।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে লক্ষ্য তাড়ায় যদিও শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। দলীয় ১৯ রানে ফিরে গিয়েছিলেন লিটন দাস (১০)। এরপর ডেভিড মালান ও কাইল মেয়ার্সের প্রতিরোধ। ২৭ বল খেলে দ্বিতীয় উইকেটে তারা ৬১ রানের জুটি গড়েন। ২৫ বলে ৫০ রান করে মায়ার্স আউট হয়ে গেলে ভাঙে এই জুটি। এরপর তাওহীদ হৃদয় (১৭) ও মালানও (৩০) আউট হয়ে গেলে চাপের মুখে পড়ে রংপুর। শেষ ৪ ওভারে দরকার ছিল ৪১ রান।
তবে সব চাপ দূর করে দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও খুশদিল শাহ। ১৭ তম ওভারে আমের জামালের কাছ থেকে ২০ রান আদায় করেন তারা। মাহমুদউল্লাহ একাই হাঁকান তিনটি চার ও একটি ছয়। পরের ওভারে শরীফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে দুটি চার ও একটি ছয় মারেন খুশদিল। ১২ বলে ২২ রান করেন তিনি। মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত থাকেন ১৯ বলে ৩০ রানে।
এর আগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান তোলে চট্টগ্রাম রয়্যালস। দলের এই স্কোরে বড় অবদান অ্যাডাম রসিংটনের; করেছেন ফিফটি।
আগের দুই ম্যাচে চট্টগ্রামের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও রসিংটন টানা দুটি সেঞ্চুরি জুটি গড়েছিলেন। এদিন অবশ্য বড় ইনিংস খেলতে পারেননি বিপিএল নিলামে কোটি টাকায় বিক্রি হওয়া নাঈম। তবে ব্যাট হাতে ঠিকই ঔজ্জ্বল্য ছাড়িয়েছেন অ্যাডাম রসিংটন। এদিন ৬টি চার ও ২টি ছয়ে ৪১ বলে ৫৮ রান করেন তিনি। চলতি বিপিএলের এটি তাঁর হ্যাটট্রিক ফিফটি। আগের দুই ম্যাচে ৬০ ও ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন ইংলিশ এই ব্যাটার। এক প্রান্ত আগলে রেখে তিনি ১৬ ওভার পর্যন্ত খেললেও ১৬৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি চট্টগ্রাম। শেষ ৫ ওভারে তারা তুলতে পারে মাত্র ৩৮ রান।
মোস্তাফিজুর রহমান ও আকিফ জাভেদ নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।