টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কায় এক নারী হোটেলকর্মীর সঙ্গে বাজে আচরণের অভিযোগ ওঠে পাকিস্তানি পেসার সালমান মির্জার বিরুদ্ধে। পাকিস্তানি এক সংবাদমাধ্যমে এমন খবর প্রচারিত হয়েছিল। তবে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এমনকি সেই সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার।
নারী হোটেলকর্মীর সঙ্গে বাজে অসদাচরণের সংবাদ যাচাই বাছাই না করে প্রচার করায় খেপেছেন সালমান। গত রাতে সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে তিনি সেই সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের নাম উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানোর কথা নিশ্চিত করেছেন। নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে পাকিস্তানি বাঁহাতি পেসার লিখেছেন, ‘শহীদ হাশমি (সাংবাদিক) ও এআরওয়াই নিউজকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাঁরা মিথ্যা অভিযোগ করেছেন এবং বানোয়াট খবর প্রচার করেছেন।’
ফেসবুকে আইনি নোটিশের তিনটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন সালমান। আইনি নোটিশে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘পিসিবি তাদের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডলে প্রকাশ্যে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে। যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, সেটা বিদ্বেষপূর্ণ, মনগড়া ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এমনকি সালমানকে কোনো জরিমানাও করা হয়নি। এমন খবর প্রচার করায় সালমান, পিসিবি ও পুরো পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে।’
সালমান মামলা করার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমকেও ধুয়ে দিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘সংবাদমাধ্যমে একটি অসত্য খবর প্রচারিত হয়েছে। এ ধরনের সস্তা সাংবাদিকতা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো সংবাদমাধ্যম সত্যতা যাচাই না করে কোনো খবর প্রচার করতে পারে না।’
বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কায় এক নারী হোটেলকর্মীর সঙ্গে বাজে আচরণের শাস্তি হিসেবে পাকিস্তানি এক ক্রিকেটারকে জরিমানা করা হয়েছে বলে গত ৪ মার্চ টেলিকম এশিয়া স্পোর্ট এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। তখন ক্রিকেটারের নাম গোপন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পাকিস্তানের অন্য সংবাদমাধ্যমে সালমান মির্জার নাম প্রকাশ করা হয়। তবে তিনি তা বারবারই অস্বীকার করেছেন। শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিয়েছেন পাকিস্তানের এই বাঁহাতি পেসার। পাকিস্তানের হয়ে এখন পর্যন্ত তিনি ১৭ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন।