টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান অংশ নেয় কি না সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। বাংলাদেশের সমর্থনে সম্প্রতি বয়কটের হুমকি দিয়েছেন পিসিবির চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। আগামী দুই দিনের মধ্যে বিশ্বকাপ ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে পিসিবি। তার আগে আজ এসেছে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান স্থগিতের খবর।
এমন দোলাচলের মাঝে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিটাও ভালোভাবেই সেরে রাখছে পাকিস্তান। ১ ম্যাচ হাতে রেখেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে সালমান আলী আগার দল। দ্বিতীয় ম্যাচে আজ অজিদের ৯০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে স্বাগতিকেরা। এবার তাদের সামনে সাবেক চ্যাম্পিয়নদের ধবল ধোলাই করার হাতছানি। সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে আগামীকাল মাঠে নামবে দুই দল।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ব্যাটারই গড়ে দেয় পাকিস্তানের জয়ের ভীত। জোড়া ফিফটিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রানের পুঁজি পায় তারা। ব্যাট হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন সালমান। ৪০ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৬ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক; স্ট্রাইকরেট ১৯০। ৫৩ রান এনে দেন উসমান খান। ৪ চার ও ২ ছয়ে সাজানো তাঁর ৩৬ বলের ইনিংস। ২৮ রান আসে শাদাব খানের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া ১১ বলে ২৩ রান করেন সাইম আইয়ুব। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জাভিয়ের বার্টলেট, ম্যাথু কুনেম্যান, কুপার কনোলি, শন অ্যাবট ও অ্যাডাম জাম্পা একটি করে উইকেট নেন।
রান তাড়ায় আবরার আহমেদ, শাদাবদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ২৯ রানেই হারিয়ে বসে ৩ উইকেট। সে ধাক্কা সামলে আর পাকিস্তানের বোলারদের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেনি অতিথিরা। ১৫.৪ ওভারে ১০৮ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। ২০ বলে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন ক্যামেরুন গ্রিন। ম্যাট শর্ট ২৭ ও মিচেল মার্শের ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান। ১৪ রানে ৩ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল আবরার। সমান উইকেট নিতে ২৬ রান দেন শাদাব। ১৬ রানে ২ ব্যাটারকে ফেরান উসমান তারিক।