হোম > খেলা > ক্রিকেট

বিপিএলে আতশি কাচে সুজনও

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনকে ডেকেছিল বিসিবির অ্যান্টি-করাপশন ইউনিট। ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) পরিচ্ছন্ন রাখার অঙ্গীকার করেছিলেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার বেশ আগেই বিসিবির স্বাধীন দুর্নীতি দমন বিভাগের চেয়ারম্যান অ্যালেক্স মার্শালের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন। তাঁর পরামর্শে নিলামে তোলা হয়নি ‘রেড ফ্ল্যাগড’ থাকা ৯ ক্রিকেটারকে। চলমান বিপিএলে দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট বিভিন্ন দলের খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, এমন সংখ্যা ১০ ছাড়িয়ে গেছে।

বিপিএলের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে সন্দেহজনক কার্যকলাপ নতুন কিছু নয়। গতবার যেভাবে টুর্নামেন্ট একাধিক সন্দেহজনক কার্যকলাপে কলঙ্কিত হয়েছিল, পরে স্বাধীন তদন্ত কমিটির তৈরি ৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উল্লিখিত পরামর্শ মেনে বিসিবি এবার বিপিএল পরিচ্ছন্ন রাখতে কঠোর অবস্থানই নিয়েছে। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, এবার টুর্নামেন্টের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মাঠে এসিইউ বিভাগের একঝাঁক কর্মীর সঙ্গে কাজ করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগও। আছেন আইসিসির একাধিক কর্মকর্তা। আর আতশি কাচ নিয়ে অ্যালেক্স মার্শালের সূক্ষ্ম নজর তো আছে।

গতকাল বিসিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেল, কাল অ্যান্টি-করাপশন ইউনিট ডেকেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনকে। এবার বিপিএলেও তাঁর দল আছে টানা হারের মধ্যে। ৪ ম্যাচ খেলা নোয়াখালীর স্কোর এখনো ১৫০ পেরোয়নি। গতকাল সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে তারা ১৪.২ ওভারে গুটিয়ে গেছে ৬১ রান তুলে। ব্যাটিংয়ের এই চিত্র দেখেই মূলত সুজনকে ডেকেছে দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট। তাঁকে ডাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজির কোচিং স্টাফের এক সদস্য। তিনি মনে করেন, যেভাবে নিয়মিত ব্যাটিং বিপর্যয় হচ্ছে, তাতে ডাকাটা অস্বাভাবিক নয়। গতকাল নোয়াখালীর ম্যাচের পর একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোনে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

নোয়াখালীর দলীয় সূত্রে জানা গেল, এর আগে দলের এক বোলারকেও ডেকেছিল দুর্নীতিবিরোধী বিভাগ। এবার সামান্য সন্দেহের উদ্রেক হলেই ডাকা হচ্ছে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফের সদস্য এবং কর্মকর্তাদের। বিষয়টি অবশ্য বেশির ভাগ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। নোয়াখালী দলের এক সদস্য বলছিলেন, ‘এটা আমাদের জন্যই ভালো। সবার মনে একধরনের ভয় কাজ করছে যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে।’

বিসিবি সূত্রে জানা গেল, এবার সন্দেহজনক কার্যকলাপে শুধু ডাকাই হচ্ছে না, তাঁদের ফোন যাচাই করে দেখা হচ্ছে। এসিইউর কর্মকর্তারা নিয়মিত ব্যাটিং সাইটগুলো পর্যবেক্ষণ করছেন। মাঠের কিছু কিছু সংবেদনশীল জায়গায় ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। খেলোয়াড় ও অফিশিয়ালদের এরিয়ায় তালিকার বাইরে থাকা কারও প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি ম্যাচ চলার সময়ে সেখানে বিসিবির পরিচালকদেরও যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জানতে চাইলে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু দুর্নীতি দমন ইউনিটের কার্যক্রম নিয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঠিক, ইভেন আই অ্যাম নট অ্যালাউড ইনসাইড দ্য গ্রাউন্ড অ্যান্ড পিএমও এরিয়া। ওরা স্বাধীনভাবে কাজ করছে। কঠোর পরিশ্রম করছে। তারা কাজ করছে একেবারে স্বাধীনভাবে।’

আইসিসিকে নতুন করে চিঠিতে কী লিখেছে বিসিবি

ব্যাটে-বলে সিলেটকে জেতালেন ‘জামাই’ মঈন আলী

জাতীয় দলে খেলতে কী করতে হবে আলিসকে

টানা হারে নোয়াখালীর দর্শকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন সৌম্য

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত যদি বদলাতে হয় তখন, বিসিবিকে তামিমের প্রশ্ন

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দল ঘোষণা বাংলাদেশের

দুই বছর পর বিপিএলে ফিরেই ওয়াসিমের ফিফটি, নোয়াখালীর ছয় হার

‘আইপিএল থেকে মোস্তাফিজের বাদ পড়া হতাশাজনক’

বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনায় আছেন দুই বাংলাদেশি

সিডনি টেস্ট চলার সময়ই বিশ্বকাপজয়ী মার্টিনকে নিয়ে গিলক্রিস্টের ‘সুখবর’