বড় কিছুর আশা নিয়েই দেশ ছেড়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল। কিন্তু যুবাদের বিশ্বকাপে আজিজুল হাকিম তামিমদের যাত্রা থামল সুপার সিক্সে। ইংলিশদের কাছে পাত্তা পায়নি বাংলাদেশ। ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্টে থেকে বিদায় নিল ২০২০ সালের চ্যাম্পিয়নরা।
ব্যাটারদের ব্যর্থতার কারণে হেরেছে বাংলাদেশ। বুলাওয়েতে এদিন লড়াইয়ের পুঁজিই পায়নি দলটি। আগে ব্যাট করে ১৩৬ রানে অলআউট হয় একবারের শিরোপা জয়ীরা। বাংলাদেশের ইনিংসের পরই ম্যাচের ভবিষ্যৎ একরকম নিশ্চিত হয়ে যায়। এরপরও বোলারদের দিকে তাকিয়ে ছিল ভক্তরা। চির গৌরবময় খেলা ক্রিকেটে এদিন আর নাটকীয় কিছু হয়নি। মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের দেওয়ার লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড।
সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে চাইলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততেই হতো বাংলাদেশকে। এমন সমীকরণে কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে তাদের শুরুটা মন্দ ছিল না। ১১.১ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৫৩ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে দেড়শর আগেই গুটিয়ে যায় তামিমের দল।
বাংলাদেশের কোনো ব্যাটার ফিফটির দেখা পাননি। ৩১ রান এনে দেন রিফাত বেগ। মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ২৫, তামিম ২০ ও শাহরিয়ার আহমেদের ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান। ২৮ রানে ৩ উইকেট নেন ইংলিশ পেসার সেবাস্তিয়ান মরগান। রালফি আলবার্ট ও ম্যানি লুমসডেন নেন দুটি করে উইকেট।
রান তাড়ায় দলীয় ৩৯ রানে ২ ওপেনার জোসেফ মুরস ও বেন ডকিনসের উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় উইকেটে ৭৮ রান যোগ করে ইংল্যান্ডকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান বেন মায়ার্স ও থমাস রিও। ৩৪ রান করে মায়ার্স আউট হলে কালেব ফ্যালকোনারকে নিয়ে বাকি কাজটুকু সারেন রিও। ৫৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন আল ফাহাদ।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০২০ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে নাটকীয়তার পর ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো বিশ্বমঞ্চের শিরোপা জেতার স্বাদ পায় বাংলাদেশ। এরপর টানা তিনটি অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ থেকে সেমিফাইনালের আগেই বিদায় নিল তারা।