বাঙালির প্রাণের এই উৎসবে বিদেশি নাগরিকের যোগ দেয় আনন্দ উদ্যাপনে।
হাজারো মানুষ এক সঙ্গে মিলিত হয় রমনা বটমূলে।
বর্ষবরণ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শেষে চোখে মুখে আনন্দ মেখে বাড়ি ফিরেছেন সাধারণ মানুষ।
সংস্কৃতি কর্মীরা নেচে-গেয়ে মাতিয়ে রাখেন মঙ্গল শোভাযাত্রা।
প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও আনন্দ উদ্দীপনায় ভাটা পড়েনি। শত শত মানুষ অংশ নেয় বর্ষবরণ উৎসবে।
সকল অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর স্লোগান নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের করা হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা।
শোভাযাত্রার মাঝে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ নানা অসংগতির কথা তুলে ধরেন এই যাত্রায় অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষেরা।
চারুকলার শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে শান্তির বার্তা নিয়ে সাজানো হয় মঙ্গল শোভাযাত্রার মূল মোটিফ।
যে কোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে উৎসব এলাকায় ছিল পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
চারুকলা থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে শাহবাগ মোড় ঘুরে শেষ হয় চারুকলার সামনে।
বিদেশিরাও অংশ নেন মঙ্গল শোভাযাত্রায়।
বিদায়ী বছরের জরা-ক্লান্তি কাটিয়ে রাজধানীর রমনা বটমূলে ভোরের সূর্যোদয়ের পরপরই ছায়ানটের শিল্পীদের গাওয়া গানের মধ্য দিয়ে বরণ করা হয় বাংলা নববর্ষ ১৪৩০।