বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে ইতিমধ্যে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্স চিহ্নিত ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি মামলায় পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের ষষ্ঠ কার্যদিবসে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
অগ্রাধিকার পাওয়া ১১টি মামলা হলো—
১. সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার পরিবার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান,
২. সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান,
৩. এস আলম গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান,
৪. বেক্সিমকো গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান,
৫. সিকদার গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান,
৬. বসুন্ধরা গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান,
৭. নাসা গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, ৮. ওরিয়ন গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান,
৯. নাবিল গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান,
১০. এইচবিএম ইকবাল, তার পরিবার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান,
১১. সামিট গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান।
দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল এবং কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও ইনভেস্টিগেশন বিভাগ এসব অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলার তদন্ত করছে। এ লক্ষ্যে ১১টি যৌথ তদন্ত দল (জেআইটি) গঠন করা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।