রেস্তোরাঁয় বসে ভারী খাবার খেলেও অনেকে কোমল পানীয় এড়িয়ে চলেন। কোলা বা কফির বদলে অর্ডার দেন ফলের জুস। আবার বাসায়ও অনেকে ফলের জুস খেয়ে ডায়েট করেন। কিন্তু জুস মানেই যে শরীরের জন্য উপকারী, তা নয়। জুস খেতে চাইলে এড়িয়ে চলুন ৫ ভুল।
খোলা ও পুরোনো জুস
জুস সব সময় তাজা অবস্থায় খাওয়া উচিত। খোলা অবস্থায় থাকলে জুসের এনজাইমের মাত্রা কমতে থাকে। ফলে পুষ্টিগুণ হ্রাস পায়। জুস বানানোর পর তা
ফ্রিজে রাখলে ঠিক থাকবে। তবে দুই-তিন দিন পর আর তা খাওয়া উচিত নয়।
চিনিযুক্ত জুস
ফলমূলে থাকা প্রাকৃতিক চিনি দেহে সহজেই মিশে যায়। প্রক্রিয়াজাত চিনির মতো রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না। চিনির কারণে যে রোগগুলো হয়, সেগুলো থেকে মুক্ত থাকা যায়। ফলে চিনি ছাড়া জুস খাওয়া ভালো।
পানির বিকল্প নয়
পানি না খেয়ে জুস খেলে হবে না। জুস খেলেও সারা দিনে ৮ গ্লাস পানি খেতেই হবে। এতে ক্ষুধাভাব কমবে, পানিশূন্যতা রোধ হবে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের হয়ে যাবে।
খালি পেটে জুস
খালি পেটে জুস খেলে তা শরীরের সব ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়। ডিটক্স ওয়াটার খেলে আরও ভালো। দুই বেলার খাবারের মাঝখানেও জুস খেয়ে পেট ভরাতে পারেন।
এক বেলার খাবার
জুস খেতে হয় পুষ্টির জন্য। কিন্তু এই পুষ্টি এক বেলার খাবারের চাহিদা পূরণ করতে পারে না। তাই ভাতের বা রুটির পরিবর্তে জুস খেলে দুর্বল লাগবে। কাজ করতে গেলে শক্তি পাওয়া যাবে না। ফলে এক বেলার খাবার হিসেবে জুস খাওয়া যাবে না।
সূত্র: জুসারকিংস, ফক্সি