হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিষয়ক মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তার পদত্যাগ

গাজা যুদ্ধের আট মাসের মাথায় পদত্যাগ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ অ্যান্ড্রু মিলার। পদত্যাগের পেছনে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েছেন ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি বিষয়ক এই ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি। এ সপ্তাহে তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে জানায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

গত অক্টোবরে শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধের কারণে ব্যক্তিগত কোনো সময়ই পাচ্ছেন না বলে সহকর্মীদের বলেছিলেন অ্যান্ড্রু মিলার। এখন তিনি পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটাতে চান।

গণহত্যা চালানোর পরও ইসরায়েল সরকারের প্রতি জো বাইডেনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সমালোচিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে-বাইরে। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি, বাইডেনের এমন নীতির প্রতি আর আস্থা নেই মিলারের। ইসরায়েলের প্রতি ওয়াশিংটনের অব্যাহত সমর্থনের মধ্যে বাইডেন প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তার পদত্যাগের ধারাবাহিকতায় মিলার হচ্ছেন সর্বশেষ ব্যক্তি।

আল জাজিরার সংবাদদাতা কিম্বার্লি হ্যালকেট এক ঘটনাটিকে দেখছেন গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলের প্রতি বাইডেন প্রশাসনের অব্যাহত সমর্থনের ফলে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান হতাশার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে।

তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। তাদের অনেকেই কারণ হিসেবে বলেছেন যে, প্রেসিডেন্ট বাইডেন সত্যকে এড়িয়ে যাচ্ছেন এবং একচোখা আচরণ করে যাচ্ছেন।’

গত ফেব্রুয়ারিতে জারি করা মার্কিন এক নির্বাহী আদেশে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের ওপর হামলার জন্য বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। সিএনএনের তথ্য মতে, সেই আদেশ জারিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন অ্যান্ড্রু মিলার।

গত মে মাসে পদত্যাগ করেছিলেন প্রাক্তন মার্কিন সেনা কর্মকর্তা মেজর হ্যারিসন মান। পদত্যাগের পেছনে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধে তার দেশের ‘অযোগ্য সমর্থনকে’ কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলে তিনি। গত নভেম্বরে ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ডিআইএ) থেকে পদত্যাগ করেন মেজর হ্যারিসন মান।

গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরায়েলের দূতাবাসের বাইরে গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের প্রতিবাদ জানিয়ে গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্মী অ্যারন বুশনেল।

গাজা যুদ্ধে মার্কিন নীতির বিরোধিতা করে হোয়াইট হাউসের বাইরে বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার মানুষ। নভেম্বরে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্যন্তই এসব বিক্ষোভের ঘটনা চলমান থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী মাসে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন কংগ্রেসে ভাষণ দেবেন তখন এই বিক্ষোভ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন কিম্বার্লি হ্যালকেট। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই জানি যে, কংগ্রেসের বিপুলসংখ্যক সদস্য সেই ভাষণ বয়কট করার পরিকল্পনা করবে।’

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে পিছু হটার সুযোগ নেই, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: ট্রাম্প

এবার ব্রিটেনের চাগোস দ্বীপপুঞ্জে ‘নজর’ ট্রাম্পের, অস্বস্তিতে স্টারমার

গ্রিনল্যান্ড দখলে বল প্রয়োগ করবেন কি না—প্রশ্নে ট্রাম্পের ‘নো কমেন্ট’

৮টি যুদ্ধ থামিয়েও নোবেল পুরস্কার পাইনি, শান্তির আর তোয়াক্কা করি না: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে মাদক ও যৌনব্যবসা, ভারতীয় দম্পতি গ্রেপ্তার

বিক্ষোভে উত্তাল মিনেসোটা: আলাস্কা থেকে ১৫০০ সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি পেন্টাগনের

১০০ কোটি ডলার দিলেই কেবল মিলবে ট্রাম্পের শান্তি পরিষদের সদস্যপদ

গাজার ‘বোর্ড অব পিস’ মূলত ‘ট্রাম্পের জাতিসংঘ’, নাক গলাবে বৈশ্বিক সংঘাতেও

গ্রিনল্যান্ড না দেওয়ায় ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প

ইরানে বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষের প্রাণহানি, জানালেন খামেনি নিজেই