আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার প্রসঙ্গে বিস্তারিত বক্তব্য দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বেলা ১: ৪৫টায় তিনি এ বক্তব্য রাখবেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বক্তব্যে মূলত সেনা প্রত্যাহারের পর আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধের উদ্বেগ ও রিপাবলিকান সরকারের সমালোচনা উঠে আসবে। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, মার্কিন জনগণকে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানোর জন্যই এ বক্তব্য, বড় নীতিগত কোন ঘোষণা আসবে না।
যুক্তরাষ্ট্র তাঁদের দীর্ঘতম যুদ্ধকে কার্যকরভাবে শেষ করতে গত সপ্তাহে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে। এ প্রসঙ্গে পেন্টাগন বলছে, মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বাইডেনের পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর এক চুক্তিতে সেনা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযানের ১০ বছরের মাথায় ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন বাইডেন। একই সাথে সামরিক নেতাদের মধ্যে যারা আফগানিস্তানে অভিযান অব্যাহত রাখতে চেয়েছেন তাঁদের বরখাস্ত করেন বাইডেন। সেনা প্রত্যাহারে ট্রাম্পের ভূমিকা থাকলেও সেনারা আফগানিস্তান ত্যাগ করলে সমালোচকদের চাপে আছেন ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট বাইডেন।
এদিকে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের পর নতুন উদ্যমে ফিরেছে তালেবানরা। গত সপ্তাহে আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের কমান্ডার জেনারেল অস্টিন মিলার আশঙ্কা করেন, দেশটি গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ২৫ জুন জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাতেও জাতীয় সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আফগান নেতারা। তবে আফগানিস্তানের নিরাপত্তা প্রশ্নে যে কোন সময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন বাইডেন।
এরই মধ্যে মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তায় আফগানিস্তানে ৬৫০ ট্রুপ সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে এ বিষয়গুলোও উঠে আসবে।