যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জাহাজ ও বিমানগুলো ইরানের আশপাশেই অবস্থান বজায় রাখবে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া চুক্তি পুরোপুরি মানা না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘হামলা চালানো’ শুরু করবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সব জাহাজ, বিমান এবং সামরিক সদস্য—অতিরিক্ত গোলাবারুদ ও অস্ত্রসহ—ইরানের ভেতরে ও আশপাশে অবস্থান করবে, যতক্ষণ না প্রকৃত চুক্তিটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি কোনো কারণে তা না হয়, যদিও সেটি খুবই অসম্ভব, তাহলে ফের হামলা চালানো শুরু হবে—আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ব্যাপক, আগ্রাসী এবং শক্তিশালীভাবে।’
এর আগে, গতকাল বুধবার ইরান জানায়—লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি চুক্তির আলোচনা এগিয়ে নেওয়া “অযৌক্তিক” হবে। ওই হামলায় শত শত মানুষ নিহত হয়েছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থানেও স্পষ্ট দূরত্ব দেখা গেছে।
ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। তবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে যেতে পারবে। ট্রাম্প তাঁর পোস্টে আরও লেখেন, ‘অনেক আগেই এ বিষয়ে একমত হওয়া গিয়েছিল এবং বিপরীতমুখী সব ভুয়া বক্তব্য সত্ত্বেও—কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয় এবং হরমুজ প্রণালি খোলা ও নিরাপদ থাকবে।’