হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

চীন-পাকিস্তানের অংশকেও ভারতের ভূখণ্ড হিসেবে দেখানো মানচিত্র অবশেষে সরিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর একটি গ্রাফিকের মাধ্যমে ভারতের এ মানচিত্র প্রকাশ করেছে। ছবি: এক্স

ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভ বা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর (ইউএসটিআর) তাদের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে চীন ও পাকিস্তানের অংশকে ভারতের বলে দেখানো একটি মানচিত্র সংবলিত পোস্ট মুছে দিয়েছে। এই মানচিত্রে পুরো জম্মু–কাশ্মীর এবং লাদাখ অঞ্চলকে ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়। এর মধ্যে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর এবং চীনের অংশ আকসাই চীনও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসটিআর এই মানচিত্র প্রকাশ করে। পরে এটি বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। কারণ, ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র আজাদ কাশ্মীর ও আকসাই চীনকে বিতর্কিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করলেও এই মানচিত্রে সেসব এলাকা যথাক্রমে পাকিস্তান ও চীনের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সেগুলো ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়।

অনেক বিশ্লেষক মনে করেছিলেন, এটি ছিল ভারতের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সচেতন ভূরাজনৈতিক ইঙ্গিত। বিশেষ করে পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক যখন টানাপোড়েনের মধ্যে, তখন এই পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়েছিল। কেউ কেউ ধারণা করেন, এটি হয়তো অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল। তবে অনেকের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভারতের প্রতি কৌশলগত সমর্থন আবার জোরালো হয়েছে। যদিও শুল্কসংক্রান্ত উত্তেজনার কারণে তা কিছু সময়ের জন্য আড়ালে পড়ে গিয়েছিল।

তবে, সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে ইউএসটিআর তাদের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্টটি সরিয়ে দিয়েছে।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ যে মানচিত্রগুলো প্রকাশ করত, সেগুলোতে আজাদ কাশ্মীর ও আকসাই চীনকে বিতর্কিত এলাকা হিসেবে দেখাতে সীমানা চিহ্ন ব্যবহার করা হতো। কিন্তু ইউএসটিআর যে সংস্করণটি পোস্ট করেছিল এবং পরে মুছে দেয়, সেখানে এমন কোনো চিহ্ন ছিল না। বরং পুরো অঞ্চলকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানকে ইসলামাবাদের জন্য বড় ধরনের কূটনৈতিক অস্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির একাধিকবার ওয়াশিংটন সফর করে মার্কিন নীতিনির্ধারক এবং খোদ ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের যে গ্রাফিকে ভারতের মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছিল, সেটি মূলত ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্য কাঠামো তুলে ধরতে ব্যবহৃত হয়েছিল। ওই গ্রাফিকে দেখানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া বিভিন্ন পণ্যে ভারত শুল্ক কমাতে বা পুরোপুরি তুলে নিতে সম্মত হয়েছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বাদাম, লাল সরগম, তাজা ও প্রক্রিয়াজাত ফল, ড্রাইড ডিস্টিলার্স গ্রেইন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইন ও মদ।

এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ভারত থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর শুল্কহার ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামাতে সম্মত হয়েছে এবং অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মোদি সরকার ভারতমাতাকে বিক্রি করে দিয়েছে: লোকসভায় রাহুল গান্ধী

ইসলামি বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকীতে ইরানিদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রেসিডেন্টের

৯ দেশে ৮৯ শিশুকে যৌন নিপীড়ন করেছেন ফরাসি শিক্ষক, মা-ফুফুকে হত্যারও স্বীকারোক্তি

মুসলিমকে বাঁচানোয় হিন্দু যুবকের জিম বয়কট করছে উগ্রবাদীরা

গাজায় ২৮৪২ ফিলিস্তিনিকে ‘বাষ্পীভূত’ করেছে ইসরায়েল, ব্যবহৃত হয়েছে যেসব বোমা

গাজায় পাঠাতে ৮ হাজার সেনা প্রস্তুত করছে ইন্দোনেশিয়া

ইরানের কাছাকাছি আরও এক বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

বোকামি করে আমাকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করো না—ইরানকে ট্রাম্পের হুমকি

কানাডার স্কুলে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত বেড়ে ১০

ওয়াশিংটনে শেষ হচ্ছে ১৯ ভিক্ষুর ১০৮ দিনের ‘শান্তি পদযাত্রা’