হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

গোয়েন্দাপ্রধান তুলসী গ্যাবার্ডকে মাদুরো উৎখাতের পরিকল্পনার বাইরে রেখেছিলেন ট্রাম্প

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

২০২৪ সালের আগস্টে নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পের সঙ্গে তুলসী গ্যাবার্ড। ছবি: রয়টার্সের সৌজন্যে

ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে গ্রেপ্তারের অভিযানে মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান (ডিএনআই) তুলসী গ্যাবার্ডকে ‘একঘরে’ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গ্যাবার্ডের যুদ্ধবিরোধী ও অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার পুরোনো অবস্থানের কারণে ট্রাম্প প্রশাসন তাঁকে এই অতি-গোপনীয় অভিযানের পরিকল্পনা থেকে সরিয়ে রেখেছিল। তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই দাবিকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।

২০১৯ সালে ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য থাকাকালে গ্যাবার্ড ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো হুমকি নয় এবং লাতিন আমেরিকায় মার্কিন হস্তক্ষেপের ইতিহাস অত্যন্ত ‘ভয়াবহ’।

২০১৮ সালে মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ, ২০২০ সালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে হুমকি ও ইরানের সামরিক কর্মকর্তা কাসেম সোলেইমানি হত্যারও বিরোধিতা করেছিলেন তুলসী গ্যাবার্ড।

সম্প্রতি হিরোশিমায় এক সফরের পর তিনি মন্তব্য করেন, ‘বিশ্ব এখন পারমাণবিক ধ্বংসের প্রান্তে। রাজনৈতিক প্রভাবশালী ও যুদ্ধবাজ নেতারা পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়াচ্ছেন।’ তিনি আরও বলেছিলেন, ‘যারা যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে লিপ্ত রাখতে চায়, তারা সাধারণ মানুষের জীবন ও ট্যাক্সের টাকার অপচয় করছে।’

গ্যাবার্ড বর্তমানে ক্যাবিনেট-স্তরের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টর হিসেবে ১৮টি গোয়েন্দা বিভাগের তত্ত্বাবধান করেন, যার মধ্যে সিআইএ এবং সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও অন্তর্ভুক্ত।

ভেনেজুয়েলার অভিযানটি এতই গোপনীয় ছিল যে ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইনটেলিজেন্স বা ডিএনআই প্রধান হয়েও গ্যাবার্ড অনেক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ডাক পাননি। তখন হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মকর্তা মজা করে গ্যাবার্ডের পদবি ডিএনআইকে (DNI) বলতেন, ‘ডু নট ইনভাইট’ (Do Not Invite) বা ‘আমন্ত্রণ জানাবেন না’।

তবে গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই প্রতিবেদনগুলোকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সবাই একই দলের সদস্য। এই অভিযান অত্যন্ত গোপনীয় ছিল, তাই শুধু জ্যেষ্ঠ ক্যাবিনেট কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের মধ্যে এটি সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল। তুলসী বা আমাকে পরিকল্পনা থেকে বাদ দেওয়ার তথ্যটি পুরোপুরি ভুল।’

৩ জানুয়ারি যখন ট্রাম্পের নির্দেশে কারাকাসে অভিযান চলে, তখন হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত কোনো ছবিতেই গ্যাবার্ডকে দেখা যায়নি। সেই সময় ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন সিআইএ প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ডেপুটি পলিসি ডিরেক্টর স্টিফেন মিলার। এমনকি গ্যাবার্ড এই অভিযানের চার দিন পর পর্যন্ত কোনো প্রকাশ্য বিবৃতিও দেননি। পরে গত মঙ্গলবার তিনি এক্সে লেখেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মাদক-সন্ত্রাসবাদ এবং বিপজ্জনক ড্রাগ কার্টেল মোকাবিলা করে মার্কিন সীমান্ত সুরক্ষিত করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা রক্ষা করেছেন।’

ইরানের বিক্ষোভের মুখ হতে চাইছেন—পারবেন কি শাহপুত্র রেজা পাহলভি

নিজের চরকায় তেল দাও—মামদানিকে ভারতের তিরস্কার

ফিলিস্তিনিদের সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা ইসরায়েলের, শক্ত প্রমাণ আছে: সোমালিয়ার মন্ত্রী

প্রেমহীন জীবন ইউক্রেনে, পরিণয় ও সন্তানের স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে যুদ্ধ

বিক্ষোভ দমনে হিমশিম ইরান, নিরাপত্তা বাহিনীর শতাধিক সদস্য নিহতের দাবি

ইরানে আন্দোলন: নিহত বেড়ে ১১৬, যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে ‘লক্ষ্যবস্তু হবে ইসরায়েল’

‘নেপালকে বাংলাদেশ হতে দেব না’, নানামুখী চাপে হতাশ সুশীলা কারকি

মহারাষ্ট্রের স্বার্থে ট্রাম্পকে সমর্থন করতেও প্রস্তুত: রাজ ঠাকরে

ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা, সর্বোচ্চ সতর্কতায় ইসরায়েল

সিরিয়ার আলেপ্পো ছাড়ল এসডিএফ, ১৪ বছরের কুর্দি শাসনের অবসান