হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

জামালপুরের ইসলামপুর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অর্ধশত মাঠে ধস, ভোগান্তি

এম. কে. দোলন বিশ্বাস, ইসলামপুর (জামালপুর)

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার নাপিতেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ধসে নালা সৃষ্টি হয়েছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

জামালপুরের ইসলামপুরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ধসে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থী ও শিক্ষার্থীদের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে। একই সঙ্গে দেখা দিয়েছে ভবন ধসে পড়ার মতো আশঙ্কা। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিতে রয়েছেন। উপজেলার অন্তত অর্ধশত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ধসে গেছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, বিভিন্ন সময় অতিবৃষ্টি আর বন্যায় মাঠগুলো ধসে গেছে। সম্প্রতি মাঠ টিকিয়ে রাখতে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। তবে মাঠের বৃহত্তর অংশ ধসে মাটি সরে যাওয়ায় গাইড ওয়াল কোনো কাজে আসেনি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকারিভাবে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ করা হলেও, মাঠে মাটি ভরাট না করায় এসব ভবন রয়েছে ভাঙনঝুঁকিতে। তাঁদের দাবি, দ্রুত মাঠগুলোতে মাটি ভরাট করে ভবন ঝুঁকিমুক্ত করাসহ কোমলমতি শিশুশিক্ষার্থীরা যাতে বিদ্যালয়ে খেলাধুলা করতে পারে, সে ব্যবস্থা করে দেওয়া।

জানা যায়, এই উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ১২টি ইউনিয়নের ১৭৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এ ছাড়া নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দাখিল এবং আলিম মাদ্রাসাসহ ৮৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নাপিতেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠের বৃহত্তর অংশ ধসে বেশ কয়েকটি নালা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে বিদ্যালয় ভবনটি। একই স্থানে থাকা গাইবান্ধা সুরুজ্জাহান উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠেও ধরেছে ভাঙন। ধীরে ধীরে মাটি ধসে যাওয়ায় মাঠ ছোট হয়ে আসছে।

একই উপজেলার দত্তপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ, আগুনেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ, চন্দনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ, পোড়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ, পোড়ারচর আব্দুস সাত্তার উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠের মাটি ধসে গেছে। গোয়ালেরচর ইউনিয়নের মালমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠের বৃহত্তর অংশ অন্তত দেড় যুগ আগে ধসে গেলেও এটি রক্ষায় নেওয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ।

নাপিতেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বলেন, তিন বছর আগে বিদ্যালয়ের মাঠ ভেঙে গেছে। ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে বিদ্যালয়ের ভবন। মাঠ সংস্কারের জন্য কয়েকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেও কোনো কাজ হচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহানারা খাতুন বলেন, ‘যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে—সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে; কিন্তু কোনো সাড়া পাচ্ছি না।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফা আখতার বলেন, ‘বেশ কিছু বিদ্যালয়ের মাঠ ধসে গেছে। আমাদের দপ্তরে বরাদ্দ না থাকায় সেগুলো সংস্কার করা যাচ্ছে না।’

ইউক্রেন যুদ্ধে ১২ লাখ সেনা হারিয়েছে রাশিয়া—থিংক ট্যাংক প্রতিবেদন

দুবাইয়ে হবে বিশ্বের প্রথম সোনার সড়ক

পারমাণবিক চুক্তি করো, নয়তো পরের হামলাটি হবে ‘আরও ভয়াবহ’—ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’

মায়ের চেষ্টা ব্যর্থ করে হিমায়িত পুকুরে তিন ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

ইরানের দিকে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের আরেক নৌবহর

ভেনেজুয়েলার নতুন সরকারে ভরসা নেই মার্কিন গোয়েন্দাদের, মাচাদোকে নিয়েও সংশয়

বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতে যেভাবে বঞ্চনার শিকার মুসলিমরা

ব্যাগ-হীরার গয়না ঘুষ নিয়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি, ২০ মাসের কারাদণ্ড

চীনের সহায়তায় যুক্তরাজ্যকে আরও নিরাপদ ও ধনী করতে চাই: কিয়ার স্টারমার