আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দাবি করেছেন, ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানি নিহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
আলী লারিজানিকে সর্বশেষ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ গত শুক্রবার আল-কুদস দিবসের র্যালিতে অংশ নিতে দেখা গেছে। তেহরানে পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
পদযাত্রার সময়ই তেহরানে হামলা হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লারিজানি বলেন, র্যালি চলাকালে বোমা হামলাটি ছিল ইরানের শত্রুদের ‘হতাশার’ লক্ষণ।
লারিজানি রাষ্ট্রীয় টিভিকে বলেন, এই হামলাগুলো ভয় ও হতাশা থেকে করা হয়েছে। যে শক্তিশালী, সে কখনোই বিক্ষোভে বোমা হামলা করবে না। এটা স্পষ্ট যে, তারা ব্যর্থ হয়েছে।
লারিজানি বলেন, ট্রাম্প বোঝেন না যে, ইরানের জনগণ একটি সাহসী জাতি, একটি শক্তিশালী জাতি, একটি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জাতি। তিনি যত চাপ দেবেন, জাতির সংকল্প তত শক্তিশালী হবে।
এদিকে নাবিকদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে তেহরানের বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। চলতি মাসে শ্রীলঙ্কার উপকূলে মার্কিন টর্পেডোর আঘাতে নিহত হন ৮৪ জন ইরানি নাবিক।
তাসনিম সংবাদ সংস্থার মাধ্যমে প্রচারিত এক বার্তায় পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের শত্রুদের জানা উচিত যে, এই উচ্চস্তরের শহীদদের প্রত্যেকের নামের ছায়ায় হাজার হাজার নতুন সাহসী পুরুষ জেগে উঠবে।
ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তেহরান জুড়ে ৩৪টি চত্বরে নাবিকদের কফিন রাখা হবে।