হোম > স্বাস্থ্য

অতিরিক্ত লবণ খাওয়া এড়াবেন যেভাবে

ফিচার ডেস্ক

যেকোনো ঝাল কিংবা নোনতা খাবারে লবণ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে অন্যান্য খাদ্য উপাদানের মতো বেশি লবণ খাওয়া বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করে। খাওয়ার সময় অনেকে পাতে আলাদা লবণ নিয়ে থাকেন, কেউ আবার সামনে রাখেন সল্ট শেকার। খাবার যা-ই নেন না কেন, পাতে ঝেড়ে নেন লবণ। অথচ কমবেশি সবারই জানা, এই লবণ বাড়িয়ে তোলে রক্তচাপ। রক্তনালিতে বেশি লবণ মানে রক্তে পানির পরিমাণ বেশি। এ কারণেই রক্তচাপ বেড়ে যায়।

প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১১ বছরের বেশি বয়সের শিশুদের দিনে ৫ থেকে ৬ গ্রামের বেশি লবণ কোনোভাবেই খাওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৬ গ্রাম লবণ এক চা-চামচ পরিমাণ হয়।

আর তাতে থাকে ২ দশমিক ৪ গ্রাম সোডিয়াম। শিশুদের লবণ খেতে হবে আরও কম। আমরা যে খাবার খাই, তার তিন-চতুর্থাংশ রেডিমেড খাবার। সেগুলো হতে পারে রুটি, সকালের নাশতা ইত্যাদি। এই অবস্থায় কী করবেন—

খাবার পরীক্ষা করে দেখুন, তাতে লবণ কম কি না।

  • রান্নার সময় লবণ দেবেন না। এর পরিবর্তে দিন লতাগুল্মের ফ্লেভার, লেবুর রস, গোলমরিচ, মসলা।
  • কোনোভাবেই খাবারের পাতে লবণ নেবেন না।
  • টেবিলে সল্ট শেকার রাখবেন না।
  • সস বা আচার খাবেন না। এমনকি রান্নাতেও নয়।
  • টেক অ্যাওয়ে বা ফাস্ট ফুড রেস্তোরাঁয় যাবেন না।
  • নতুন ফ্লেভারে জিব অভ্যস্ত হলে খাবারে আর লবণ যোগ করতে হবে না।

ভবিষ্যতে মানুষকে ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে হবে না: নরসিংদীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নতুন সরকার: স্বাস্থ্যে চাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

ঋতু পরিবর্তনে সর্দি-জ্বর? ঘরোয়া ৫ চিকিৎসা

শিক্ষার্থীরাই সেবা-সহমর্মিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারে

কেমন হবে রমজানের খাবার

রোজায় কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যকর খাদ্য

রোজা রেখে নাক-কান-গলার চিকিৎসা: কী করবেন, কী করবেন না

কর্মক্ষেত্রে সুস্থ থাকার জন্য যুক্তরাজ্যে নতুন উদ্যোগ

সাইনোসাইটিসের সংক্রমণ যেভাবে প্রতিরোধ করবেন

প্রাণিজগতে শুধু মানবশিশুর জন্মদান কেন কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছে