চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বৃদ্ধিসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলনরত নিয়োগপ্রত্যাশীদের ওপর পুলিশ অমানবিক লাঠিপেটা, ন্যক্কারজনক হামলা এবং ধরপাকড় চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য পরিষদ। পরিষদের ব্যানারে চাকরিপ্রত্যাশীরা দাবি করেন, ১৬ জানুয়ারি নীলক্ষেত ও মিরপুরে নিয়োগপ্রত্যাশীদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে ওই হামলা এবং গ্রেপ্তার চালানো হয়।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী চাকরির বয়স বৃদ্ধির দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তাঁরা। এ সময় সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য পরিষদের অন্যতম সমন্বয়ক মানিক রিপন বলেন, ‘১৬ জানুয়ারির সমাবেশে আমাকে প্রায় ৫০-৬০ জন পুলিশ ঘেরাও করে এলোপাতাড়ি লাঠিপেটা করে। পরে মিরপুর মডেল থানা, মিরপুর-২-এ ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হয়। এমনকি পরে কয়েকজন আমাকে ছাড়াতে গেলে তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হয়।’
মানিক রিপন আরও বলেন, ‘পুলিশের মাত্রাতিরিক্ত নির্যাতনের কারণে ফখরুল নামের এক চাকরিপ্রত্যাশীর ডান হাত ভেঙে গেছে। যিনি এখনো হাসপাতালে।’
সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা অন্য দাবিগুলো হলো চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধি করা। নিয়োগে দুর্নীতি ও জালিয়াতি বন্ধ করা। নিয়োগ পরীক্ষার (প্রিলি ও রিটেন) প্রাপ্ত নম্বরসহ ফলাফল প্রকাশ করা; চাকরিতে আবেদনের ফি সর্বোচ্চ ১০০ টাকা করা। একই সময়ে একাধিক নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ করে সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা।