টানা দুদিন সূর্যের দেখা নেই। কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি, কখনোবা মাঝারি আকারে বৃষ্টি ঝরছে। হেমন্তের শেষ ভাগে এসে গতকাল রোববার জেলায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ২৭ মিলিমিটার। যা শীতের আমেজ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই বৃষ্টি আর শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এতে ঘর থেকে কাজের জন্য বাইরে বের হতে পারেননি অনেক খেটে-খাওয়া শ্রমিক।
যশোর বিমানবাহিনীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার থেকেই যশোরের আবহাওয়ায় পরিবর্তন আসে। শনিবার সকালে শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। থেমে থেমে এ বৃষ্টি চলে প্রায় সারা দিনই। একই অবস্থা ছিল রোববারও। তবে সকাল ১০ টারদিকে মাঝারি আকারে বৃষ্টি শুরু হয় যশোরে। রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার হিসেব অনুযায়ী জেলায় ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। যা আজ সোমবারও থাকবে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাষে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে আরও জানা গেছে, আজ সোমবার সকালেও বৃষ্টি ঝরতে পারে। তবে দুপুরের পর থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে থাকবে। এ সময়ে মেঘ কেটে গিয়ে বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা। মাসের মাঝামাঝি সময়ে যশোরের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তখন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসতে পারে।
এদিকে দুদিনের বৃষ্টিতে অনেকটাই থমকে গেছে জনজীবন। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। যারা বের হচ্ছেন তাঁদের বেগ পেতে হচ্ছে অনেক। বিশেষ করে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা পড়েছেন চরম বিপাকে।
রিকশা চালক তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘আজ (রোববার) সকাল থেকে বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তায় তেমন কোনো মানুষ নেই।’