হোম > ছাপা সংস্করণ

হামবোল্ট রিসার্চ ফেলোশিপ

মুসাররাত আবির

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জার্মানে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ, জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিনা বেতনে উচ্চশিক্ষা অর্জনের সুযোগ ও শিক্ষাবৃত্তির সুবিধা। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিকে ধরা হয় সবচেয়ে কম খরচে উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যতম পছন্দের দেশ। তা ছাড়া জার্মানিতে শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি বেশ কয়েকটি স্কলারশিপের সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো হামবোল্ট রিসার্চ ফেলোশিপ।

এই ফেলোশিপের মাধ্যমে আলেক্সান্ডার ভন হামবোল্ট ফাউন্ডেশন সারা বিশ্ব থেকে উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন গবেষকদের খরচ বহন করে। শুধু তা-ই নয়, বিভিন্ন স্পনসরশিপ পোর্টফোলিও থেকে পৃথকভাবেও আপনার খরচ মেটানো হবে।

সুযোগ-সুবিধা

  • আপনার একাডেমিক ক্যারিয়ারের শুরুতে জার্মানিতে গবেষণা স্পনসরশিপ থেকে পোস্টডক সুবিধা।
  • পোস্টডক্টরাল গবেষকদের জন্য হামবোল্ট রিসার্চ ফেলোশিপ আপনাকে জার্মানিতে গবেষণা পরিচালনা করতে সাহায্য করবে।
  • মাসিক ফেলোশিপের পরিমাণ হলো ২৬৭০ ইউরো। ফেলোশিপ ৬ থেকে ২৪ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • সিভি (সর্বোচ্চ দুই পৃষ্ঠা)
  • গবেষণার রূপরেখা (সর্বোচ্চ পাঁচ পৃষ্ঠা)
  • আপনার প্রকাশনার সম্পূর্ণ তালিকা
  • নির্বাচিত মূল প্রকাশনার তালিকা
  • মূল প্রকাশনা
  • ডক্টরেট সার্টিফিকেট বা প্রমাণ যে আপনার ডক্টরেট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বা নিশ্চিতকরণ যে এটি পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে।
  • জার্মান ভাষার প্রশংসাপত্র

আবেদনের যোগ্যতা

  • আবেদন করার সময় থেকে চার বছর আগ পর্যন্ত আপনার কি কোনো ডক্টরেট ডিগ্রি আছে? থাকলে পোস্ট ডক ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। অথবা আবেদন করার ছয় মাসের মধ্যেও ডক্টরেট ডিগ্রি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আপনি যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তবে এর পাশাপাশি আপনার লেখা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একাডেমিক জার্নালও থাকতে হবে।
  • গত ১২ বছরের মধ্যে যদি আপনার কোনো ডক্টরেট ডিগ্রি থাকে, তাহলে রিসার্চার হিসেবে আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে পাবলিকেশন রেকর্ড থাকতে হবে।
  • জার্মানির জাতীয়তা থাকা যাবে না। ৬ থেকে ১৮ মাসের বেশি দিন জার্মানিতে থাকতেও পারবেন না।
  • জার্মান ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে।

যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন
যেহেতু সারা বিশ্বের অসংখ্য গবেষক এই ফেলোশিপ পাওয়ার জন্য আবেদন করেন, তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই আপনার পূরণকৃত আবেদনপত্র, প্রয়োজনীয় কোনো অতিরিক্ত নথি পাঠিয়ে দিন। আবেদন-প্রক্রিয়া সাধারণত চার থেকে আট মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। অসম্পূর্ণ বা ভুল আবেদনপত্রগুলো প্রক্রিয়া করতে বেশি সময় নেয় এবং প্রায়ই পরবর্তী নির্বাচন কমিটির বৈঠকে স্থগিত করতে হয়। তাই কোনো ভুল করা যাবে না।

আপনার আবেদন সফল হলে, আপনি নির্বাচিত হওয়ার ২ থেকে ১২ মাসের মধ্যে আপনার ফেলোশিপ শুরু করতে পারবেন। আর আপনার আবেদন ব্যর্থ হলে, তারা তাদের সিদ্ধান্তের কারণগুলো আপনাকে ই-মেইল করে দেবে। নির্বাচিত হওয়ার সাধারণত প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পরে আপনি এবং আপনার হোস্ট আপনার আবেদনের ফলাফলসহ একটি চিঠি পাবেন। ফলাফলে সন্তুষ্ট না হলেও সিদ্ধান্ত আপিল করা যাবে না। তবে যেসব কারণে বাদ পড়েছেন, সেই সব বিষয়ে উন্নতি করে আবারও আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু পুনরায় আবেদন করার আগে ন্যূনতম ১৮ মাস অপেক্ষা করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়

নভেম্বর ৩০, ২০২২

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ