হেফাজত নেতাকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অপরাধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় দীর্ঘ ৬ মাস কারাভোগ করেন ঝুমন দাস। পরে গত ২৮ সেপ্টেম্বর পরিবারের কাছে ফিরে আসেন তিনি। পরিবারে অভাব অনটন থাকা সত্ত্বেও থেমে নেই তাঁর মানবতার কাজ।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিজ গ্রামের গরিব অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ি-কাপড় বিতরণ করেন ঝুমন। এ ছাড়া লিম্ফোমা ক্যানসারে আক্রান্ত দিরাই ডিগ্রি কলেজের ছাত্র রনি দাসের চিকিৎসার জন্য আর্থিকভাবে সাহায্য করার জন্য গ্রামে ও হাটবাজারে ঘুরে টাকা তুলছেন।
জানা যায়, রনি দাস লিম্ফোমা ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ভারতের চেন্নাইয়ে অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসা করছেন। চিকিৎসার জন্য সাহায্য পাওয়ার আশায় বিভিন্ন সংবাদপত্রে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। জেল থেকে বের হয়েই ঝুমন দাসের নজরে আসে রনি দাসের সাহায্যের খবরটি। তাই তিনি বাড়ি এসেই গত ১ অক্টোবর থেকে রনির পাশে দাঁড়ানোর জন্য সাহায্যের বক্স নিয়ে গ্রামে ও বিভিন্ন বাজারে ঘুরে বিত্তবানদের কাছ থেকে সাহায্য তুলছেন।
ঝুমন দাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সাম্প্রদায়িকতার উসকানি বক্তব্যের প্রতিবাদ করতে গিয়ে দীর্ঘ ৬ মাস জেল খেটেছি। দেশকে ভালোবাসি তাই দেশের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত। আর এলাকার গরিব অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার নামই হচ্ছে দেশপ্রেম।’