মোমবাতি ব্যবহারের পর তা এক ইঞ্চি পরিমাণ হয়ে এলে আমরা সেগুলো সাধারণত আর ব্যবহার করি না। তবে বলে রাখা ভালো, এগুলো ফেলে না দিয়ে নানা কাজেও কিন্তু ব্যবহার করা সম্ভব।
বানিয়ে নিন নতুন মোমবাতি
ব্যবহার করার পর ছোট হয়ে আসা মোমবাতি একটা ব্যাগে জমিয়ে রাখুন। এরপর একটা অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে মোমবাতিগুলো দিয়ে চুলায় অল্প আঁচে গরম করুন। মোমবাতি গলে যাবে। এরপর মোমবাতির ভেতরে থাকা সুতা ভাসতে শুরু করলে সেগুলো তুলে ফেলুন। মোমবাতি পুরো গলে গেলে আর এর রং যদি সাদা হয় তাহলে চাইলে পছন্দের রঙের ক্রেয়ন স্টিক ভেঙে দিতে পারেন। এরপর নেড়ে দিন মিশ্রণটি। রং গলে যাওয়া মোমের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যাবে। এবার মোটা সুতা কেটে নিন। সুতার এক প্রান্তে ছোট্ট পেরেক বা কোনো ধাতব বস্তু বেঁধে নিন। যে প্রান্তে ধাতু বাঁধা, তা ছোট কাচের গ্লাস বা জারে প্রবেশ করান। সুতার অন্য প্রান্ত একটা কাঠির সঙ্গে পেঁচিয়ে জারের ওপর আড়াআড়িভাবে রেখে দিন। এবার চুলা বন্ধ করে তরল মোম জারে ঢালুন। মোম শক্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তৈরি হয়ে গেল নতুন মোমবাতি।
বাটিকে ব্যবহার
সাদা টি-শার্ট, টেবিলক্লথ, বালিশের কভার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উজ্জ্বলতা হারায়। সে ক্ষেত্রে এগুলো বাটিক করে নতুনের মতো করে ফেলতে পারেন। পুরোনো মোমবাতি চুলায় অল্প আঁচে গলিয়ে নিন। তরল মোম কাপড়ের ওপর ছড়িয়ে দিন। এবার অপেক্ষা করুন মোম যাতে ভালোভাবে কাপড়ের ওপর বসে যায়। এরপর ডাই করে নিন কাপড়। কাপড়ের যেসব অংশে মোম লাগানো সেসব অংশে রং প্রবেশ করবে না। বাকি অংশ রঙিন হয়ে উঠবে।
ফাটল ভরাট করতে
বাড়ির দরজা বা জানালা চৌকাঠে অনেক সময় ফাটল দেখা দেয়। পিঁপড়াসহ বিভিন্ন ছোট পোকা সেসব ফাটলে বাসা বাঁধে। এই সমস্যা দূর করতে এক টুকরো মোম গলিয়ে নিন। এরপর কিছু সময় রেখে দিন। ক্রিমের মতো ভারী হয়ে এলে মোম দিয়ে সেই ফাটল পূর্ণ করে দিন।
সূত্র: ববভিলা