নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ের বিনোদনকেন্দ্রটিতে ভুতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করছে। বখাটেদের দখলে চলে গেছে এর বেশির ভাগ জমি। নষ্ট হয়ে গেছে এখানকার প্রায় ২০ লাখ টাকার সম্পদ।
জানা যায়, ১৮৫৭ সালে রেলওয়ে কারখানার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য শহরের ইসলামবাগে ফিদা-আলী মিলনায়তন গড়ে তোলা হয়। মিলনায়তনটি প্রায় তিন একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এর উত্তর পাশে ভলিবল ও ব্যাডমিন্টন খেলার জায়গা। পশ্চিমে খোলা জায়গা ও ফুটবল-ক্রিকেট খেলার বিশাল মাঠ। মাঠটি ঈদের নামাজের জন্যও ব্যবহার হয়। দক্ষিণে বিশাল আকৃতির একটি পুকুর। একসময় এলাকাটি মুখরিত থাকত শ্রমিক-কর্মচারীদের পদচারণে।
সরেজমিনে দেখা যায়, অযত্ন আর তদারকির অভাবে বিনোদনকেন্দ্রটির দরজা-জানালা ভেঙে ধ্বংস স্তূপে পরিণত হয়েছে। নষ্ট হয়ে গেছে বসার বেঞ্চ ও চেয়ার। খুলে গেছে চালার কিছু টিন। ভলিবল ও ব্যাডমিন্টন খেলার জায়গায় জন্মেছে বড় বড় আগাছা।
ইসলামবাগ বড় মসজিদ এলাকার বাসিন্দা রেল কর্মচারী মিজানুর রহমান বলেন, ‘একসময় এখানে এসে অবসর সময়টুকু বিনোদনের মাধ্যমে কাটাতাম। কিন্তু এটি খোলা না থাকায় অনেক সময় এসেও ফিরে যেতে হয়।’
বিনোদনকেন্দ্রটির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও রেলওয়ে কারিগরি পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হবিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, দিন দিন কমছে রেলওয়ের শ্রমিক-কর্মচারীর সংখ্যা। তা ছাড়া বিনোদনের মাধ্যম বেড়ে যাওয়ায় যাঁরা আছেন তাঁরা খুব একটা আসেন না। তবে বিনোদনকেন্দ্রটি সংস্কারে শিগগিরই উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।