হোম > ছাপা সংস্করণ

আসতে পারে হল বন্ধের ঘোষণা

দেশের প্রেক্ষাগৃহে উপমহাদেশীয় ভাষার সিনেমা মুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা যেন কাটছেই না। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ১৯ সংগঠনের লিখিত আবেদনের সুবাদে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে সবুজসংকেত পাওয়া গেলেও এখনো পাওয়া যায়নি লিখিত অনুমোদন। তাই প্রস্তুতি নিয়ে এখনো হলগুলোতে ‘পাঠান’ মুক্তি দিতে পারেননি হলমালিকেরা।

এদিকে এ মাসের শেষ দিকে শুরু হবে রমজান মাস। সাধারণত রমজান মাসে সিনেমা হল বন্ধ থাকে। এক সপ্তাহের মধ্যে হিন্দি সিনেমা প্রদর্শনের অনুমতি না মিললে স্বাভাবিকভাবেই দীর্ঘসূত্রতা বাড়বে। পাঠান প্রদর্শনের অনুমতি না পাওয়াকে ‘ব্যবসায়িক সংকট’ হিসেবে দেখছেন হলমালিকেরা। তাই, এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা করছেন সমিতির নেতারা। সে বিষয়ে জানাতেই আজ রাজধানীর ইস্কাটনে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতি।

এ বিষয়ে প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন বলেন, ‘অনেক দিন ধরে বলা হচ্ছে হিন্দি সিনেমা আসবে। আমরা আর কত দিন অপেক্ষা করব? অনেক হল বন্ধ হয়ে আছে। যেগুলো খোলা আছে তা-ও বন্ধ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। মৌখিক সম্মতি পাওয়ার পরও কেন “পাঠান’’ মুক্তির লিখিত অনুমতি আসেনি, এ বিষয়টি তুলে ধরা হবে আজকের সংবাদ সম্মেলনে। এ ছাড়া আরও বেশ কিছু সমস্যা নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। সেগুলো জানানোর জন্যই এ  সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে লিখিত আকারে সব তুলে ধরা হবে।’

সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি মিয়া আলাউদ্দিন বলেন, ‘হিন্দি সিনেমা প্রদর্শনের বিষয়ে দীর্ঘদিন পর ১৯ সংগঠনের নেতারা একমত হয়েছেন। কিন্তু সরকার কালক্ষেপণ করায় হলমালিকেরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। দিন দিন আমাদের হল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। হল চালু রাখতে হলে ভালো সিনেমা দরকার, কিন্তু ভালো সিনেমার সংখ্যা আমাদের কম। করোনার পর মাত্র দুটি সিনেমা ব্যবসা করতে পেরেছে। এভাবে চললে হল চালু রাখা সম্ভব না। আমরা বলছি না হিন্দি সিনেমা আসলেই ব্যবসা করবে। কিন্তু আমরা চেষ্টা করতে চাইছি। তা ছাড়া হিন্দি সিনেমা আমদানির যে নীতি রয়েছে, সেই নীতিতে আমাদের হলে সিনেমা চলবে না। কারণ, হলে মুক্তি দেওয়ার আগেই ওটিটিতে সিনেমা মুক্তি পেয়ে যাবে। সব মিলিয়ে এবার আমরা কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রয়োজন হলে সব প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অনেকেই বলছেন সরকার সিনেমা হল উন্নয়নের জন্য লোন দিচ্ছে। কেন মালিকেরা সে লোন নিচ্ছেন না, সেটাও তুলে ধরা হবে।’

এদিকে চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ১৯ সংগঠন রাজি হলেও সিনেমার অনেক কলাকুশলী দেশের প্রেক্ষাগৃহে হিন্দি সিনেমা প্রদর্শনের বিষয়ে একমত নন। পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু ও খিজির হায়াত খানের নেতৃত্বে হিন্দি সিনেমা আমদানির বিরুদ্ধে মানববন্ধন করা হয়। এ ছাড়া অভিনেতা ও প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, হিন্দি সিনেমা চললে আবারও কাফনের কাপড় পরে রাস্তায় নামবেন তাঁরা।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ