হোম > ছাপা সংস্করণ

থমথমে দলিরাম পুরুষশূন্য

নীলফামারী ও কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে সংঘর্ষে বিজিবি সদস্য নিহতের ঘটনায় গাঢ়াগ্রাম ইউনিয়নের দলিরাম এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনার পর পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে গোটা এলাকা।

এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্ম-সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

গতকাল সোমবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্ম-সচিব মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে রংপুর বিজিবির রিজওনাল কমান্ডার লে কর্নেল মাহবুবুর রহমান খান, রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক ওয়ালিদ হোসেন ও নীলফামারী অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা মুরাদ হাসান বেগসহ চার সদস্যের দলটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে ঘটনার বিষয়ে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি পরিদর্শন দলের সদস্যরা।

পুলিশ জানায়, রোববার পশ্চিম দলিরাম মাঝাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কর্মকর্তারা। এ সময় লাঙল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মারুফ হোসেন অন্তিকের সমর্থকেরা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে নির্বাচন কর্মকর্তাদের আটকে দেন। এক পর্যায়ে রাত ৮টার দিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে লাঙল প্রতীকের সমর্থকদের কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ওই কেন্দ্রে দায়িত্বরত বিজিবির নায়েক রুবেল হোসেন নিহত ও কয়েকজন আহত হন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আনতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে। পরে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নীলফামারীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ সার্কেল) সারোয়ার আলম মুঠোফোনে আজকের পত্রিকাকে জানান, এ ঘটনায় আটজনকে আটক করা হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের পরাজিত স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহিনুর ইসলাম শাহিনের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মাঈনুল আরেফিন চৌধুরী নিয়াজের দুই শতাধিক কর্মী-সমর্থকেরা এ হামলা চালান। হামলাকারীরা শাহিনের সমর্থক হাজীপাড়ার আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুস সামাদ ও আব্দুল হামিদসহ ৫টি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। ওই সব বাড়ি থেকে নগদ সাড়ে ছয় লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণালংকার ও দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এ সময় বাড়ির লোকজন ভয়ে ধান খেতে লুকিয়ে প্রাণ রক্ষা করেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহিনুর ইসলাম শাহিন অভিযোগ করে জানান, ‘নিয়াজের সন্ত্রাসীরা আমার বাড়িতে এসে তাণ্ডব চালিয়ে ২০ লাখ টাকার আসবাবপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করেছে। এ সময় পরিবারের লোকজনসহ লুকিয়ে না পড়লে সন্ত্রাসীরা কাউকে বাঁচতে দিতনা।’

অন্যদিকে অভিযুক্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়াজ চৌধুরীর জানান, ‘আগে তাঁর লোকজন আমার লোকদের ওপর হামলা করেছে। পরে আমার লোকজন উত্তেজিত হয়ে তাঁর লোকজনের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়লে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।’

কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, ২৮ নভেম্বর কিশোরগঞ্জ উপজেলার আট ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটকেন্দ্র দখল, ভাঙচুর, ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনায় বড়ভিটা, মাগুড়া ও কিশোরগঞ্জ সদর ইউপির ফলাফল স্থগিত করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ