তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের সাগরফেনা গ্রামে একটি দোকান ও তিনটি বসতঘর আগুন লেগে পুড়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সরেজমিন ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মহসিন মিয়ার দোকানে আগুন জ্বলতে দেখে একই গ্রামের বাবু মিয়া চিৎকার শুরু করেন। এতে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। তাঁরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। এই সময়ে পাশের তিনটি বসতঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা চাওয়া হয়। কিন্তু ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই সব পুড়ে যায়।
দোকানি মহসিন মিয়া (২৫) বলেন, ‘আমার একমাত্র সম্বল দোকান। খুব কষ্ট করে দোকানটিকে সাজিয়েছিলাম। আগুনে পুড়ে আমার সব শেষ হয়ে গেছে।’
পুড়ে যাওয়া একটি বসতঘরের বাসিন্দা আবদুল খালেক মিয়া (৭০) বলেন, ‘আমি এই বৃদ্ধ বয়সে কোথায় থাকব। আমার প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
ক্ষতিগ্রস্ত আরেক বাসিন্দা রাশিদা আক্তার (৫০) বলেন, ‘আমার স্বামী নাই। আমি গার্মেন্টসে কাজ করি। আমি এখন কোথায় যাব, বুঝতে পারছি না।’
মকবুল হাসান মনা বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে কিস্তিতে একটি অটোরিকশা কিনেছি। রিকশাটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।’ এই বলে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
খবর শুনে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুধীন চন্দ্র দাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন।