রেলওয়ের সচিব হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন। টাকা পেলে চাকরি দেওয়া নাকি তাঁর কাছে মামুলি ব্যাপার। প্রলোভন দিয়ে একজনের কাছ থেকে অগ্রিম পাঁচ লাখ টাকাও নেন। পরে হাতেনাতে ধরা পড়েন রেলওয়ের এক কর্মকর্তার কাছেই। কিন্তু সেই প্রতারকের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো রেলওয়ে প্রশাসন সমঝোতা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সচিব পরিচয় দিয়ে আসা ওই প্রতারকের আসল নাম মির্জা শফিকুর রহমান, পেশায় তিনি জুট ইন্সপেক্টর। কিন্তু প্রতারণা করতে জাহিদুল ইসলাম নাম ব্যবহার করে আসছিলেন। গত ২ সেপ্টেম্বর রেলওয়ের এক কর্মকর্তার সহযোগিতায় পুলিশ প্লাজা থেকে জাহিদুল ইসলামকে আটক করা হয়।
গুলশান থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রেলওয়ে থেকে সোপর্দ করার পর তাঁরা আইনগত ব্যবস্থা বা মামলা না করায় জাহিদুলকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে পরে আর কিছুই জানি না আমরা।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. শরিফুল আলম বলেন, প্রতারক জাহিদ ভুক্তভোগীকে টাকা ফেরত দেওয়ায় রেলওয়ের পক্ষ থেকে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
রেলওয়েতে সর্বশেষ ‘সহকারী স্টেশনমাস্টার’ ৫৬০ জনকে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ঘিরে প্রতারক চক্র ছাড়াও খোদ রেলওয়ের একটি সিন্ডিকেট তৎপর রয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।