নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এবং দেশেই আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে গড়ে ওঠে আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ। শুরু থেকেই খুব কম খরচে শিক্ষাকে সব শ্রেণির দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এই উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানটি। আধুনিক শিক্ষা, উন্নত মানের গবেষণাগার, মানসম্পন্ন শিক্ষক, সৃজনশীল চিন্তা ও ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষাকে বিশ্বমঞ্চে নেওয়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ। ২০০৭ সালের ১৯ মে ৭৭১ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর লক্ষ্য ছিল কম খরচে মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান করা। সেই লক্ষ্য পূরণে অনেকটাই সফল এই বিশ্ববিদ্যালয়টি। ১৫ বছরের এই পথচলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে আরও অনেক। শুধু তা-ই নয়, একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদকে কাজে লাগিয়ে উন্নত জাতি গঠনেও ভূমিকা রাখছে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি।
শিক্ষার স্তর ও খরচ
বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস, ফ্যাকাল্টি অব ল, ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্স এবং ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অর্থাৎ চারটি অনুষদের অধীনে মোট ৯টি কোর্স পড়ানো হয়। এখানে প্রতিটি বিভাগে লেখাপড়ার খরচও শিক্ষার্থীদের নাগালের মধ্যে।
স্নাতক পর্যায়ে
স্নাতকোত্তর পর্যায়ে
স্কলারশিপ
অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা
রাজধানীর শ্যামলীতে নিজস্ব ভবনে এর ক্যাম্পাস অবস্থিত। আছে অত্যাধুনিক ল্যাব সুবিধাও। ১৪ হাজার ২০৭টি বই এবং ৬ হাজার ৪০০ ই-বুক নিয়ে রয়েছে বিশাল লাইব্রেরি। উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ। স্বল্প খরচে খাবারের জন্য রয়েছে ক্যানটিন। ইনডোর স্পোর্টসের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা। সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এ সেমিস্টার পদ্ধতিতে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। যার ফলে শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে ডিগ্রি অর্জন করে অল্প সময়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারেন।
সহশিক্ষা কার্যক্রম
লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের জন্য রয়েছে বিতর্ক, সংস্কৃতিচর্চা ও খেলাধুলার জন্য ১২টি ক্লাব। সেগুলো হলো ‘বিজনেস ক্লাব, ‘ক্যারিয়ার অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, ‘ইংলিশ ক্লাব, ‘ফটোগ্রাফি অ্যান্ড মুভি ক্লাব’, ‘সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ক্লাব, ‘গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস ক্লাব, ‘কালচারাল ক্লাব, ‘শ্ব ক্লাব, ‘মুটিং ক্লাব, ‘সোসিওলজি ক্লাব’ও ‘ফার্মা ক্লাব। প্রতিটি ক্লাবের সদস্যরা নানান বিষয়কে কেন্দ্র করে ম্যাগাজিন, পোস্টার ও দেয়ালিকা প্রকাশ করে থাকে। এ ছাড়াও এগুলোর পাশাপাশি মাদকবিরোধী সেমিনার, বিষয়ভিত্তিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা, আন্তবিশ্ববিদ্যালয় দাবা, লুডু, ক্যারমসহ আন্তব্যাচ ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।