হোম > ছাপা সংস্করণ

প্রবেশপত্র না পেয়ে বিক্ষোভ

মনিরামপুর প্রতিনিধি

যশোরের মনিরামপুরে এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র না পেয়ে আন্দোলন করেছে শিক্ষার্থীরা।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পলাশী আদর্শ কলেজের পরীক্ষার্থীরা এই আন্দোলন করে।

তাদের অভিযোগ, প্রবেশপত্র বাবদ ১৫০ টাকা করে চেয়েছেন শিক্ষকেরা। টাকা ছাড়া প্রবেশপত্র দেওয়া হচ্ছে না।

শিক্ষকদের দাবি, এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেওয়ানোর সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিসে কলেজ কর্তৃপক্ষকে টাকা দিতে হয়েছে। সেই টাকাসহ প্রবেশপত্র বাবদ ১৫০ টাকা করে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে চাওয়া হয়েছে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা। পলাশী আদর্শ কলেজ থেকে এবার তিন বিভাগে ১৮০ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে পরীক্ষার প্রবেশপত্র আনতে কলেজে যায় শিক্ষার্থীরা। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ১৫০ টাকা ছাড়া কাউকেই প্রবেশপত্র দিচ্ছে না।

গত ২২,২৩ ও ২৪ নভেম্বর উপজেলার এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেওয়া হয়। উপজেলাটিতে ১৮টি কলেজের ২ হাজার ৭৮৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

এ দিকে মঙ্গলবার কলেজে উপস্থিত ছিলেন না ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সন্তোষ কুমার মণ্ডল।

সকালে কলেজে গিয়ে প্রবেশপত্র না পেয়ে মানবিক বিভাগের পরীক্ষার্থী খলিলুজ্জামান অধ্যক্ষের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলে। এ সময় ওই পরীক্ষার্থী টাকা নেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বলেন, ‘টাকা কেন নিচ্ছি সেটা ইউএনও বলতে পারবেন। পারলে সেখানে গিয়ে জেনে এসো।’

অধ্যক্ষের সঙ্গে ওই পরীক্ষার্থীর কথোপকথনের অডিও রেকর্ড এ প্রতিবেদকের কাছে এসেছে।

এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার মোবাইলে কল করা হয়েছে অধ্যক্ষকে। তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে প্রবেশপত্র বাবদ টাকা নেওয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন কলেজের শিক্ষক মোশারেফ হোসেন। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেওয়ানোর সময় কলেজের কিছু খরচ হয়েছিল। প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় সেই খরচ ধরে আমরা ১৫০ টাকা করে চেয়েছি।’

মোশারেফ হোসেন বলেন, ‘উপজেলায় টিকা দেওয়ানোর সময় যশোর থেকে যাঁরা টিকা দিতে এসি গাড়িতে করে এসেছেন তাঁদের যাতায়াত খরচসহ সব আয়োজন করতে কিছু টাকা খরচ হয়েছে। ইউএনও বলেছেন, এ খরচ কলেজকে বহন করতে হবে।’

এ দিকে শাওন হোসেন নামে কলেজের এক পরীক্ষার্থী বলে, ‘আমরা টাকা চাওয়ার বিষয়টি ইউএনওকে মোবাইলে জানিয়েছি। তিনি লিখিত অভিযোগ করতে বলেছেন।’

এ বিষয়ে মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, ‘কলেজে টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমাকে ফোনে জানানো হয়েছে। আমি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি।’

ইউএনও বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে যাঁরা উপজেলায় টিকা দিতে এসেছেন তাঁদের মাইক্রো ভাড়াসহ সব আয়োজন করে দিতে হয়েছিল কলেজ কর্তৃপক্ষকে। বিষয়টি আমি জানি।’

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মাধব চন্দ্র রুদ্রো বলেন, ‘প্রবেশপত্র বাবদ অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

এ বিষয়ে যশোর জেলা সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহিন বলেন, ‘অন্যদের মতো এইচএসসি পরীক্ষার্থীদেরও করোনার টিকা বিনা মূল্যে দেওয়া হয়েছে। কারও কাছ থেকে টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকেও টিকাদানকর্মীরা কোনো টাকা নেননি।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ