হোম > ছাপা সংস্করণ

নগরের কয়েকটি সড়কে স্বস্তি

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ফুটপাতে অবৈধ দোকান উচ্ছেদে সিটি করপোরেশন ও পুলিশের অভিযানে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে নগরীর কয়েকটি সড়কে। কমেছে যানজট। তবে গাঙ্গিনারপাড়ে রাস্তার দুপাশে বসা দোকান উচ্ছেদ করা হলে ষোলো আনা সুফল ভোগ করবেন নগরবাসী।

বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহে যানজটের অন্যতম কারণ ফুটপাত দখল করে বসানো দোকান। নগরীর প্রাণকেন্দ্র গাঙ্গিনারপাড়, দুর্গাবাড়ি রোড, সিকে ঘোষ রোড এবং রামবাবু রোডে ফুটপাতের কারণে যানজট লেগেই থাকে।

সম্প্রতি সিটি করপোরেশন ও কোতোয়ালি থানা–পুলিশের উচ্ছেদ অভিযানে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে দুর্গাবাড়ি, রামবাবু রোড, বড় বাজার এবং কালিবাড়ীতে। তবে প্রায় সময়েই দেখা যাচ্ছে হকারেরা দোকানপাট নিয়ে রাস্তার মধ্যে বসছেন। নগরবাসীর চলাচলে বড় সমস্যা গাঙ্গিনারপাড়ে ফুটপাত উচ্ছেদ না করলে কোনোভাবেই যানজট কমবে না।

দুর্গাবাড়ি রোড এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্গাবাড়ি রোডে এখন যানজট দেখা যায় না বললেই চলে। প্রশাসনের সাহসিক অভিযানকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে কিছু কিছু হকারকে এখনো বসতে দেখা যায়। পুলিশ এবং সিটি করপোরেশনের অভিযান অব্যাহত রাখলেই সেগুলো চিরতরে বন্ধ হবে।’

গাঙ্গিনারপাড় এলাকার বাসিন্দা কাজী ইয়াসিন বলেন, ‘গাঙ্গিনারপাড়ে এখনও ফুটপাতমুক্ত না হওয়ায় যানজট লেগে থাকে। সিটি করপোরেশন ও পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর উদ্যোগ নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালাতে হবে। অন্যথায় সম্ভব হবে না। তবে ব্যবসায়ীদের কথাও বিবেচনা করে তাঁদের বসার জন্য অন্যত্র জায়গা করে দিতে হবে।’

পথচারী হায়দার জাহিদ বলেন, ‘কালীবাড়ি, বড়বাজার, দুর্গাবাড়ি এবং আকুয়ার তুলনায় গাঙ্গিনারপাড়ে উচ্ছেদ অভিযান অনেকটা কম। গাঙ্গনারপাড় ফুটপাতমুক্ত হলেই শহরের যানজট কমে যাবে। গুরুত্ব দিয়ে গাঙ্গিনারপাড় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানের দাবি জানাচ্ছি।’

অটোরিকশাচালক আব্দুস সালাম বলেন, ‘যানজটের কারণে গাঙ্গিনারপাড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। দোকান উচ্ছেদ করলেই সব সমস্যা সমাধান হবে। আমাদের প্রধান সমস্যা গাঙ্গিনারপাড়।’

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক আলী ইউসুফ বলেন, ‘অনেক পরে হলেও ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সিটি করপোরেশন ও পুলিশের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। তবে আমরা মনে করি উচ্ছেদ অভিযানের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখলে শহরের আমূল পরিবর্তন হবে। বিশেষ করে গাঙ্গিনারপাড়ে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান না করলে কোনো কাজই হবে না।’

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে ফুটপাত উচ্ছেদে কাজ করছি। কয়েকটি এলাকায় অভিযান করায় সেখানে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। অভিযানের পরেও হকাররা দোকানপাট নিয়ে বসতে দেখা গেছে। পরে তাঁদের আবারও উচ্ছেদ করা হয়।’

সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহমেদ বলেন, ‘মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটুর নির্দেশে নগরীর ফুটপাত দখলমুক্ত করে মানুষের ভোগান্তি লাঘবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি এলাকা একেবারে ফুটপাতমুক্ত হয়েছে। আগামী সপ্তাহজুড়ে গাঙ্গিনারপাড়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

জানতে চাইলে মেয়র মো. ইকরামুল টিটু বলেন, ‘মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি যানজট নিরসনের লক্ষ্যে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না। তবে হকারদের বিষয়ে আমরা অন্যত্র চিন্তাভাবনা করছি।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ