যশোরের মনিরামপুর থেকে চলতি মৌসুমে ১ হাজার ৪৪৫ মেট্রিক টন আমন ধান ও প্রায় ৪৮০ টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধান ও চাল কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে উপজেলা খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ।
এবার ২৭ টাকা কেজি দরে প্রতিমণ ধানের দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮০ টাকা। আর চালের কেজি ধরা হয়েছে ৪০ টাকা। লটারির মাধ্যমে প্রকৃত আমন চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার সিদ্ধান্ত দিয়েছে মন্ত্রণালয়। মনিরামপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ইন্দ্রজিৎ সাহা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ৪ নভেম্বর ধান কেনার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এর পর ৮ নভেম্বর উপজেলা গুদাম কর্তৃপক্ষকে ধান কেনার শুরু করার জন্য চিঠি দেয় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিস। জেলা কর্মকর্তার চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহ পার হলেও ক্রয় সংক্রান্ত এখনো কোনো সভা করতে পারেননি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক।
ধান ও চাল ক্রয় কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, ‘কাজের চাপ থাকায় আমন কেনা নিয়ে এখনো সভা করতে পারিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ক্রয় সংক্রান্ত সভা করা হবে। তখন আমন সংগ্রহের উদ্বোধনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয় লটারির কথা বললেও মনিরামপুরে সেটা সম্ভব হবে না। বাজারে ধানের দাম চড়া। কৃষকেরা গুদামে ধান–চাল দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।’
সে ক্ষেত্রে উন্মুক্তভাবে কার্ডধারী কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।’
মনিরামপুরে এবার ২২ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। ইতিমধ্যে ধান ঘরে তোলা শুরু করেছেন কৃষক। প্রতিমণ ধান খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৯৩০ টাকা থেকে এক হাজার ৩০ টাকায়।