হোম > ছাপা সংস্করণ

চাল-আটায় ব্যবধান ৩ টাকা

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

চালের দামের সঙ্গে লাগামহীনভাবে ছুটছে আটার দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় প্যাকেট ও খোলা আটার দাম বেড়েছে কেজিতে প্রায় ৫ টাকা। এদিকে আগের সপ্তাহের তুলনায় সব প্রকার ৫০ কেজির চালের বস্তায় দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। এই সপ্তাহে বাজারে প্যাকেট আটা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। অপরদিকে আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকা কেজি। ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী শম্ভুগঞ্জ বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

শম্ভুগঞ্জ বাজারের শাহীন খাদ্য ভান্ডারের বিক্রেতা হাবিবুর রহমান বলেন, সব ধরনের ৫০ কেজি চালের বস্তাপ্রতি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা বেড়েছে। খুচরা উনত্রিশ চাল ৫০ টাকা, আটাশ ৪৮ টাকা, নাজিরশাইল ৬৪ টাকা, মোটা আতপ চাল ৩৬ টাকা, কাটারিভোগ ৬৪ টাকা ও কালিজিরা ৭২ টাকায় কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে শম্ভুগঞ্জ মধ্যবাজারের বিনয় পাল স্টোরের বিক্রেতা বিমল পাল বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় খোলা ও প্যাকেট আটার দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ৫ টাকা। অ্যাংকার ডালও বেড়েছে কেজিপ্রতি ৫ টাকা।

এই ব্যবসায়ী জানান, প্যাকেট আটা কেজি প্রতি ৫ টাকা বেড়ে ৪৫ টাকা, খোলা আটা ৫ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা, অ্যাংকর ডাল ৫০, দেশি মসুর ডাল ১১০, ভারতীয় মসুর ডাল ৯০, মুগডাল ১৪০, ভাঙা মাষকলাই ১৩০, মাষকলাই ১০০, বুটের ডাল ৯০, খেসারি ৭০, মটর ১১০, ছোলা বুট ৭০ ও চিনি ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

একই বাজারের রাজলক্ষ্মী স্টোরের বিক্রেতা ভোলানাথ দাস বলেন, খোলা সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা, পাম ওয়েল ১৪৫, কোয়ালিটি ১৫০ ও বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

তবে মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় তেমন উঠানামা করেনি। একই বাজারের মুরগি বিক্রেতা মিলন মিয়া বলেন, ব্রয়লার ১৪৫ টাকা, সোনালি ২৬০ টাকা, সাদা কক ১৯০ টাকা ও দেশি মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ফার্মের মুরগির ডিম ৩৫ টাকা হালি, হাঁসের ডিম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা ও সোনালি মুরগির ডিম ৫০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।

তবে বেড়েছে মাছের দাম। শম্ভুগঞ্জ মাছ মহালের বিক্রেতা সামাদ বলেন, সব ধরনের মাছের দাম কেজিতে ২৫ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। পাঙাশ ১১০ টাকা, কাতল ৩২০ টাকা, মাঝারি রুই ২৪০ টাকা, কারপিও ২৫০ টাকা, বাউস ২৬০ টাকা, বড় গ্লাস কার্প ২৪০ টাকা, মৃগেল ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ টাকা, রাজপুটি ১৮০ টাকা, শিং ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ট্যাংরা ৪০০ টাকা, দেশি ইছা ৫০০ টাকা, বালিয়া ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, পাবদা ৩০০ টাকা, গুতুম ৬৬০ টাকা, ফলিয়া ৩০০ টাকা, মাগুর ৪০০ টাকা, কই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি।

অপরদিকে মাংস মহালের বিক্রেতা সুলতান মিয়া বলেন, খাসির মাংস ৭৮০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা ও গরুর মাংস ৫৬০ থেকে ৫৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কমেছে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দামও। মুদি দোকানি খোকন মিয়া বলেন, দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজিতে ৫ টাকা কমে ৫০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ১০ টাকা কমে ৪০ টাকা, রসুন ৩০ টাকা কমে ৫০ টাকা, আদা ৪০ টাকা কমে ৮০ এবং দেশি ও ভারদীয় আলু ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া বাজারে নতুন সবজি আসা শুরু হওয়ায় দাম স্থিতিশীল আছে। তবে নতুন আলু ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সবজি বিক্রেতা রনি মিয়া জানান, শিম ৮০ টাকা, ঢ্যাড়স ৪০, বেগুন ৪০, করলা ৪০, ফুলকপি ৬০, লাউ ৫০, গাজর ১২০, বরবটি ৫০, কাঁচা কলা ২০, মুখী কচু ৩০, পুলতা ৩০, কাঁচা টমেটো ৬০, পাকা টমেটো ১২০, শশা ২০, পাতা কপি প্রতিটি ৪০ টাকা, লেবু ১৫ টাকা হালি, মুলা ২৫ টাকা কেজি, পটল ৪০, মিষ্টি কুমড়া ৪০, পেঁয়াজপাতা ৫০ ও কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা জাহানারা পারভীন বলেন, ‘সবজি কিনতে এসে হিসাব মেলানো যায় না। বাজারে প্রচুর সবজি উঠলেও দাম কমছে না। সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে সবকিছু।’

আরেক ক্রেতা বিপ্লব বসাক বলেন, ‘আমরা যারা নিম্ন আয়ের মানুষ তাদের চলার উপায় নেই। সবজি কিনতে গেলেও পাঁচ শ টাকার কমে হয় না। সপ্তাহে একদিন মাছ-মাংস খাওয়া দায় হয়ে পড়েছে আমাদের জন্য।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ