ঝিনাইদহে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সঙ্গে গেল কয়েক দিন ধরেই প্রকৃতিতে বইছে ঠান্ডা হাওয়া। এই বৃষ্টি ও হাওয়া বয়ে আনছে শীতের আগমনী বার্তা। একদিকে ঠান্ডা হাওয়া ও অন্যদিকে গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে দুর্ভোগ বেড়েছে কর্মজীবী-শ্রমজীবী থেকে শুরু করে সব শ্রেণিপেশার মানুষের। বৃষ্টিতে শীতকালীন সবজির খেতে পানি জমে পচন ধরতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।
গত শুক্রবার দুপুর থেকে ঝিনাইদহের আকাশ মেঘলা ছিল। শনিবার সকাল থেকে মেঘের ঘনঘটায় তিন দিনেই সূর্যের দেখা মেলেনি। সোমবার দুপুরে শহরের পায়রা চত্বর, পাগলাকানাই, বাস টার্মিনাল প্রভৃতি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তাঘাটে আগের মতো ব্যস্ততা নেই। দুপুর গড়িয়ে গেলেও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সঙ্গে ঠান্ডা বাতাসের কারণে খেটে-খাওয়া মানুষের উপস্থিতও কম ছিল। এদিকে বৃষ্টিতে শহরের কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে শহরের রাস্তায় নেই পর্যাপ্ত যানবাহন।
এদিকে বৃষ্টিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সরকারি কেসি কলেজ ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন স্থানে চোখে পড়ে বৃক্ষরাজির সৌন্দর্য।
পোড়াহাটি গ্রামের কৃষক আয়নাল মণ্ডল বলেন, গ্রামের মাঠে রয়েছে শীতকালীন সবজি। তবে যেভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে এতে সবজি খেতে বৃষ্টির পানি জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে শাক-সবজির ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আজগর আলী বলেন, যে বৃষ্টি হচ্ছে এতে শীতকালীন সবজির তেমন কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। তবে এভাবে বেশ কিছুদিন চলতে থাকলে সবজির খেতের কিছুটা ক্ষতি হতে পারে।