বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্পণের মধ্য দিয়ে উচ্চশিক্ষার জগতে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক পৃথিবীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার পথে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)। উত্তর আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আদলে ২০০৩ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়টি–
বর্তমানে বিইউবিটি শুধু প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট, ২০১০-এর সব প্রয়োজনীয়তা পূরণ করেই নয়, বরং শিক্ষার মান, গবেষণার সুবিধা, স্বচ্ছ পরীক্ষা পদ্ধতি, যুগোপযোগী শিক্ষা কার্যক্রম বজায় রাখার মাধ্যমে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়টির লক্ষ্য হলো সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক সমাজের প্রয়োজনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক উচ্চ মানের শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ প্রদান করা। এরই লক্ষ্যে ভৌত অবকাঠামো, সহ-পাঠ্য ক্রমিক ও পাঠক্রমবহির্ভূত কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে সহায়ক পরিবেশের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনে প্রবেশে ভূমিকা পালন করছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি) তাদের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত করছে পাঁচটি অনুষদের অধীনে।
ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস
ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ
ফ্যাকাল্টি অব সোশ্যাল সায়েন্স
ফ্যাকাল্টি অব ল
সুযোগ-সুবিধা
সহশিক্ষা কার্যক্রম
শুরু থেকেই সহশিক্ষা কার্যক্রমের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে আসছে বিইউবিটি। শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে তারা গঠন করে থাকে নানা রকমের ক্লাব। এর মধ্যে অন্যতম—
এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহী করতে এবং মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিইউবিটি প্রতিষ্ঠা করেছে উন্নত লাইব্রেরি, হলরুম, ক্যাফেটেরিয়া, উপাসনালয়, কমন রুম, খেলার মাঠ এবং ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব।