ভোলায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবলীগ নেতা খোরশেদ আলম টিটুর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। টিটুর ভাই মো. হানিফ বাদী হয়ে গত শুক্রবার রাতে ভোলা সদর থানায় এই মামলা করেন। মামলায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ মামলায় এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার সকালে আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি জানিয়েছেন ভোলা সদর থানার ওসি এনায়েত হোসেন। তিনি বলেন, ‘পুলিশ গত শুক্রবার রাতেই সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আবুল বাশারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে। নিহত যুবলীগ নেতা টিটুর মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার সকালে দাফন করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের নাছির মাঝি সংলগ্ন মেঘনা নদীতে দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের বিজয়ী চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন নান্নুর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে নান্নু ও খোরশেদ আলম টিটুসহ চেয়ারম্যানের লোকজন ভোলা শহরে ফেরার পথে নাছির মাঝি এলাকায় একই ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী সকেট জামাল গ্রুপ ও নান্নু গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নান্নুর সমর্থক টিটু মারা যান। পরে যুবলীগ নেতা খোরশেদ আলম টিটু হত্যার বিচার দাবিতে শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা।