যে বয়সে দুরন্তপনায় মেতে ওঠার কথা ছিল, সেই বয়সেই তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করছে ছোট্ট জুঁই। তার শরীরে বাসা বেঁধেছে দুরারোগ্য বোনম্যারো ফেইল রোগ। সপ্তাহে ১০ হাজার টাকার বেশি খরচ হচ্ছে তাঁর ওষুধ বাবদ। মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এই ব্যয় বহন হয়ে উঠেছে দুরূহ।
৭ বছরের জান্নাত আরা জুঁই চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সৈয়দপুর ইউনিয়নের পশ্চিম সৈয়দপুর এলাকার আরমান হোসেন সাইফুল ও ফেরদৌসী আক্তার দম্পতির মেয়ে। বাবা সাইফুল পাঠাওয়ের চালক। সন্তানের চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি আজ নিঃস্ব। সাইফুল বলেন, ‘চিকিৎসক জানিয়েছেন জুঁইকে সুস্থ করতে হলে চেন্নাই নিয়ে যেতে হবে। প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকার প্রয়োজন চিকিৎসায়, যা জোগানো আমার পক্ষে অসম্ভব।’
ফেরদৌসী আক্তার বলেন, বয়স ৬ পূর্ণ হওয়ার পর হঠাৎ জুঁইয়ের পুরো শরীরে কালো রঙের ছোপ ছোপ দাগ দেখা দেয় ও তীব্র জ্বর আসে। একপর্যায়ে তার নাকেমুখে রক্ত আসতে শুরু করে। মেয়েকে বাঁচাতে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করান তাঁরা। এক মাস চিকিৎসা চলার সময় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জুঁইয়ের দুরারোগ্য ব্যাধি বোনম্যারো ফেইল ধরা পড়ে।
মানবিক দিক বিবেচনায় সমাজের বিত্তবানেরা এগিয়ে এলে হয়তো বেঁচে যাবে ছোট্ট জুঁইয়ের প্রাণ। তার চিকিৎসায় সহায়তা পাঠাতে চাইলে তাঁর মা ফেরদৌসী আক্তারের মোবাইল ফোন (০১৮৬১০১৬০৬০ বিকাশ) নম্বরে যোগাযোগ করুন। অথবা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের চট্টগ্রামের পাহাড়তলী শাখার হিসাব নম্বরে (২০৫০২০২০২০৪৪১১৬০৮) সাহায্য পাঠাতে পারেন।