হোম > ছাপা সংস্করণ

আসন ভাগাভাগির নির্বাচন

সম্পাদকীয়

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়া না-হওয়া নিয়ে এখন আর খুব সংশয় আছে বলে মনে হয় না। নির্বাচন প্রতিহত করার আন্দোলনে বিএনপিসহ নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলোরও তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। আত্মগোপনে থাকা বিএনপির নেতাদের কেউ কেউ গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে শেষ পর্যন্ত একটা কিছু হবে বললেও মানুষ এসব বিবেচনায় নিচ্ছে না।

৭ জানুয়ারি ভোট হচ্ছে। ভোটের ফলাফল কী হবে তা-ও অনেকের কাছেই পরিষ্কার। ২৮টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। ২ হাজার ৭১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বাছাইয়ে বাতিল হয় ৭৩১ জন। এর মধ্যে ৫৬০ জন আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ২৮০ জন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন কেউ যদি নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে দাঁড়ান, তাহলে অবশিষ্টদের নিয়েই নির্বাচন হবে। আগামী নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ যে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারছেন না, এটা নিশ্চিত। কারণ সব আসনেই একাধিক প্রার্থী আছেন।

তবে নির্বাচন কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশের সুযোগ আছে। কারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রায় সব দলই আওয়ামী লীগের কাছ থেকে আসন সমঝোতা নিয়ে দেন-দরবার করছে। আসন ছাড়ের বিষয়টি নিয়ে সব সময়ই ঝামেলা হয়। কারণ সবাই জিততে চায়, আর বিএনপির অবর্তমানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হলে বা নৌকা মার্কা নিয়ে ভোট করলে জয়ের সম্ভাবনা শতভাগ।

শরিক ও মিত্রদের সঙ্গে আসন সমঝোতা মোটামুটি শেষ করে এনেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের ৭টি আসন দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পার্টির (জাপা) সঙ্গেও ২৬টি আসনে সমঝোতা হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের। ১৪ দল ও জাপার ভাগে পাওয়া আসনগুলোতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের সরিয়ে দেওয়া হবে।

৩০০ আসনের মধ্যে শরিক ও মিত্রদের মোট ৪০টি আসনে আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক ছাড় দেওয়া হতে পারে। জাপা ও ১৪ দলের বাইরে কল্যাণ পার্টির জেনারেল মুহাম্মদ ইবরাহিমকে কক্সবাজার থেকে জিতিয়ে আনার আশ্বাস দেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। এর বাইরে ফরিদপুরে বিএনএমের শাহ আবু জাফরকে জেতার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল বিএনপির শমশের মুবিন চৌধুরীকে সিলেটে এবং তৈমুর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জে ভোট করছেন। তাঁদের জেতানোর চূড়ান্ত আশ্বাস দেওয়া হয়নি।

সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারার সঙ্গে এবার কোনো সমঝোতার কথা শোনা যায়নি। দলটির মহাসচিব এম এ মান্নানের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বি চৌধুরীর ছেলে মাহী বি চৌধুরী মুন্সিগঞ্জ-১ আসন থেকে ভোট করছেন।

পরিস্থিতি বুঝে ভোটের আগের দিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকছে। ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে কারও সঙ্গেই আসন সমঝোতার সম্ভাবনা নেই।

ভাগাভাগির এই নির্বাচনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত করা। কোথায় কোন প্রার্থী জিতবেন, সেটা যখন আলোচনা 
করে আগেই ঠিক করা হয়, তখন ভোটারদের আর ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ থাকার কথা নয়।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ